দুই ইউপি চেয়ারম্যানের আপত্তি খারিজ : বাড়ছে যশোর পৌরসভার সীমানা

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোরে পৌরসভার সীমান্ত লাগোয়া ৬টি ইউনিয়নের বেশ কিছু জায়গা পৌরসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্তের আপত্তি শুনানি খারিজ হয়েছে। খারিজ হওয়ার চিঠি স্বস্ব ইউপি চেয়ারম্যান এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে। যশোর পৌরসভার নতুন ম্যাপ এখন ঘোষণার অপেক্ষায়। একই সাথে পৌরসভার সীমানা বাড়ছে।

গত ২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকাশিত গ্রেজেটের মাধ্যমে জানাগেছে, সদরের ৬ ইউনিয়নের বেশ কিছু জায়গা যশোর পৌরসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো উপশহর ইউনিয়নের বিরামপুরের ১১৩ মৌজা, শেখহাটির ১৮৫ মৌজা, কিসমত নওয়াপাড়ার ৬৯৭ মৌজা, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের নওদা গ্রামের ১ থেকে ৩৫০ মৌজা। আরবপুর ইউনিয়নের খোলাডাঙ্গার ২৩৫ মৌজা, ফতেপুর ইউনিয়নের ঝুমঝুমপুর ৩১০ মৌজা, বালিয়াডাঙ্গার ৪৪০ মৌজা, রামনগর ইউনিয়নের রামনগর ৪৭৮ মৌজা, মুড়লীর ১৬২ মৌজা, মোবারককাঠির ৩৫৫ মৌজার ও চাঁচড়া ইউনিয়নের চাঁচড়ার ৪১৩ মৌজা।

এ সংক্রান্ত চিঠি ৬ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে দেয়া হয়েছে। এরপর গত ৭ অক্টোবর থেকে চেয়ারম্যানদের ডিসি অফিসে নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি চলাকালে ইউনিয়নের স্থান পৌরসভায় দিতে আপত্তি করেন উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু ও আরবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম। ওই আপত্তি দুইমাস শুনানি ও যাচাই বাছাইয়ের পর গত ২৬ ডিসেম্বর খারিজ হয়ে গেছে। খারিজ হওয়া সংক্রান্ত চিঠি চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেইসাথে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র চলতি সপ্তাহে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পৌরসভার সীমান্ত লাগোয়া ইউনিয়নের জায়গা পৌরসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানান যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ শফিউল আরিফ।

উপশহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু জানান, এলাকাবাসীর সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত। একই কথা জানান, আরবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম। তারা আরো বলেছেন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত পরিশেষে বাস্তবায়ন হবে।