পেঁয়াজ রসুনের দাম কমার লক্ষণ নেই !

মুর্শিদুল আজিম হিরু :পেঁয়াজ রসুনের দাম কমার সহসা কোনো লক্ষণ নেই। বরং আরো বেড়ে চলেছে। নতুন পেঁয়াজ ১২০ থেকে ১৪০ ও রসুন ১৬০ থেকে ২শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। পুরাতন পেঁয়াজ বাজারে তেমন একটা মিলছেনা। এরআগে কিছুটা কমলেও বেড়ে যাচ্ছে দফায় দফায়। বৃহস্পতিবার যশোরের বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তবে শাক-সবজির দাম কিছুটা কমেছে। ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে ভোজ্য তেল, চাল, ডাল, আলু ও মরিচ।
বাজারে শাক-সবজির দাম কিছুটা কমেছে। গতকয়েক দিন সবজির সরবরাহ বেশ বেড়েছে। ফলে দামও কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতিকেজি ওল কপি বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঢেঁঢ়স। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতিকেজি পেঁপে বিক্রি হয় ১৫ টাকা। ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতিকেজি ডাঁটা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতিকেজি কলা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মেটে আলু। প্রতিকেজি শিম বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতিকেজি ব্রুকলি বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মুলা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাঁধাকপি। প্রতিকেজি ফুল কপি বিক্রি হয় ৩০টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পালংশাক। প্রতিকেজি পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয় ৩০ টাকা।
প্রতি কেজি নতুন-পুরাতন আলু বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হয় মরিচ।
বাজারে ঊর্ধ্বদামে অপবির্তিত আছে ভোজ্য তেল। প্রতিকেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৯৫ টাকা থেকে ৯৮ টাকা। ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতিকেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।
অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতিকেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। ৫৫ টাকা থেকে ৫৮ কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।
বাজারে চালের দাম আগের মত আছে। প্রতিকেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৬ টাকা থেকে ২৮ টাকা। বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৩৬ টাকা থেকে ৩৮ টাকা। ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।