দাকোপ-বাজুয়া রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার লাপাত্তা

আজগর হোসেন ছাব্বির,দাকোপ :ঠিকাদারের দায়িত্বহীনতায় দাকোপের শিংজোড়া থেকে বাজুয়া ৩ কিলোমিটার রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ শুরুর পর থেকে ঠিকাদার লাপাত্তা। প্রকল্প নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হতে চললেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ২০ ভাগ।

উপজেলা দাকোপের কালীনগর ব্রীজ সংলগ্ন দাকোপ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হতে ধোপাদী হরির ব্রিজ পর্যন্ত বাজুয়া অভিমুখের ৩ কিলোমিটার রাস্তার কার্পেটিংয়ের জন্য ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে টেন্ডার আহবান করা হয়। ২ কোটি ৪০ লাখ ৪২৬ টাকার প্যাকেজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আকন ট্রেডিং এন্ড কোং কাজটি পায়। দাকোপ উপজেলা প্রকৌশলী দফতরের তত্ত্বাবধানে ২৭ জানুয়ারি ১৯ কাজটি শুরু হয়। শেষ হওয়ার কথা  ২৬ জানুয়ারি ২০২০।

সরেজমিনে দেখা যায় কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। পূর্বের সোলিংয়ের ইট গুলো খুলে কেবল পাশে মাটির তৈরি দেয়াল ছাড়া আর কিছুই করেননি ঠিকাদার নাসিম আকন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রেখেছে দীর্ঘদিন। অথচ এই সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন শত শত মানুষ বাজুয়া, ধোপাদী, শিংজোড়া, সিটিবুনিয়া ও দক্ষিন দাকোপ গ্রামে যাতায়াত করে। এলাকার ভুক্তভোগী সুকুমার মন্ডল, রনজিত সরদার, প্রফুল্য রায়, পরেশ মন্ডল, নির্মল মন্ডলসহ অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, আগে ইট সোলিং ছিল আমরা কষ্টে যাতায়াত করছিলাম, কিন্তু উন্নয়নের নামে দীর্ঘকাল সেই ইট তুলে ফেলে রাখায় হাটাও যাচ্ছে না। যানবাহন চলাচল করছেই না। শিশু শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায় অভিযোগ করেন ঠিকাদার নাসিম আকন একজন ব্যর্থ ঠিকাদার। এর আগে উপজেলার তিলডাঙ্গা ইউনিয়নে ব্রীজ নির্মাণে অনুরূপ ভাবে বছরের পর বছর সময় লাগিয়েছে।

দাকোপ উপজেলা প্রকৌশলী ননী গোপাল দাস এ পর্যন্ত ২০% কাজ হয়েছে জানিয়ে বলেন, ইতিপূর্বে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার চিঠি দেয়া হয়েছে।