সিনেমা পরিচালনার জন্য দু’টি গল্প প্রস্তুত করেছি : মিলন

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক : ২০০৫ সালে কোহিনুর আক্তার সুচন্দা পরিচালিত ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে শক্তিমান অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলনের। তার অভিনীত ২৪তম সিনেমা ‘ইন্দুবালা’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে শুক্রবার (২৯ নভেম্বর)।

গ্রামীণ প্রেক্ষাপট নিয়ে জয় সরকার পরিচালিত সিনেমাটি নিয়ে বাংলানিউজের সঙ্গে আলাপ করেছেন আনিসুর রহমান মিলন। তারই কিছু অংশ তুলে ধরা হলো-

বাংলানিউজ: ‘ইন্দুবালা’য় কেমন সাড়া পেলেন?
আনিসুর রহমান মিলন: গ্রামীণ পটভূমির সিনেমা ‘ইন্দুবালা’। এর গল্প-গান দর্শকরা বেশি পছন্দ করছেন। আমি দর্শকদের সঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখেছি। দর্শক উপস্থিতি বেশ ভালো। সবার মধ্য সিনেমাটি নিয়ে অনেক আগ্রহ দেখতে পেয়েছি। আসলে এর গল্প আমাদের খুব কাছের। তাই দর্শকদের আকর্ষণ করছে। আমি সন্তুষ্ট।

বাংলানিউজ: সিনেমাটিতে নতুন একটি টিমের সঙ্গে আপনি কাজ করেছেন। সে অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
আনিসুর রহমান মিলন: ‘ইন্দুবালা’র প্রযোজক, পরিচালক ও নায়িকা তিনজনই সিনেমায় নতুন। শুরুতে বিষয়টা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে, আবার দ্বিধাদ্বন্দ্বেও ছিলাম। তবে কাজ করতে গিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। কারণ তারা কাজের ব্যাপারে খুব আন্তরিক ছিলেন। সবকিছুই সুন্দর করে তুলে ধরার চেষ্টা ছিল। আর আমাদের অন্য সিনিয়র শিল্পীদের সহযোগিতায় বিষয়টি সহজ হয়ে গেছে।

বাংলানিউজ: ‘ইন্দুবালা’য় আপনার চরিত্র কেমন?
আনিসুর রহমান মিলন: এতে আমি গ্রামের খুব সাধারণ এতিম এক যুবকের চরিত্রে অভিনয় করেছি। যে কিনা একটি বাড়িতে মজুরের কাজ করেন এবং ঘটনাক্রমে ওই বাড়ির মেয়ে ইন্দুবালার (পায়েল) সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু তার পরিবার সেটা মেনে নেয় না। প্রেম-বিরহে তৈরি এর গল্প।

বাংলানিউজ: চরিত্র নির্বাচনের ব্যাপারে কোন বিষয়টি মাথায় রাখেন?
আনিসুর রহমান মিলন: মনে হয় দর্শক আমাকে মিক্সড চরিত্রে দেখতে বেশি পছন্দ করেন। যেমন চরিত্রটার মধ্যে রাগ আছে, প্রেম আছে, দুঃখ আছে। হয়তো এগুলোর প্রতিটার মাত্রা আমি ছুঁতে পারি। তখন নতুন চরিত্রে কাজ করতে গিয়ে মনে হয়, দর্শক হয়তো এই চরিত্রটাও পছন্দ করবে।

বাংলানিউজ: অভিনয়ের পাশাপাশি আপনি নাটক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আছেন। সিনেমা নির্মাণের ইচ্ছে আছে?
আনিসুর রহমান মিলন: আমি দুইটা সিনেমার পাণ্ডুলিপি করে ফেলেছি। এই দুইটা সিনেমা কে প্রযোজনা করবেন, সে বিষয়টি নিয়ে আমি এখন কাজ করছি। যদি এটা মিলে যায় তাহলে খুব দ্রুত কাজ শুরু করবো।

বাংলানিউজ: সিনেমার দু’টির নাম কী?
আনিসুর রহমান মিলন: প্রাথমিকভাবে নাম রেখেছি ‘রেড বক্স’ ও ‘আই ক্যান’। দু’টিই আমার লেখা। কাজের অবসরে একটু একটু করে গল্পগুলো লিখেছি। আসলে বলা যায়, সময় বাঁচাতে গিয়ে দারুণ দু’টি গল্প তৈরি হয়ে গেছে।

বাংলানিউজ: পরিচালনা কি নিয়মিত করবেন?
আনিসুর রহমান মিলন: আমি যখন সিনেমায় অভিনয় শুরু করি, তখন কিন্তু নিয়মিত কাজ করবো এটা ভাবিনি। তাই এখনই এটা নিয়েও বলতে পারছি না। তবে সবকিছু যদি মনের মতো পাই। তাহলে নিয়মিত হতেও পারি।