কপিলমুনির মেধাবী ছাত্রী পূজার আত্মহনন এখনো রহস্যাবৃত


কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি :
কপিলমুনিতে অনার্স ৪র্থ বর্ষের মেধাবী ছাত্রী পূজা ঘোষ (২২) আত্মহত্যা রহস্য ২১ দিনেও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে এলকায় নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
পূজার পারিবারিক সূত্র দাবি করছে, মায়ের উপর অভিমান করে আত্মহত্যা করেন তিনি। কেউ বলছেন, কিছু দিন পূর্বে বাড়ি থেকে একটি স্বর্ণালংকার হারিয়ে যাওয়ায় পারিবারিক কলহে আত্মহত্যা করেন তিনি। আবার অনেকের দাবি, জনৈক ভিন্ন ধর্মাবলম্বী যুবককে ভালবেসে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেন পূজা। এ সময় নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে নাম বদল করে তামান্না পারভীন নাম দেয়া হয় বলেও প্রচার রয়েছে। তবে বিষয়টি ক্রমান্বয়ে তার পরিবারের মধ্যে জানাজানি হওয়ায় শারিরীক ও মানসিক চাপে আত্মহত্যায় বাধ্য হন তিনি। এমনকি মৃত্যুর দিন সকালে ওই যুবকের সাথে মোবাইলে কথাও হয়েছে।
নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র দাবি করেছে, হুসাইন নামের যুবককে ভালবেসে সবার অজ্ঞাতে বিয়ে করেছিলেন তিনি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে হুসাইনের সাথে পূজার সরব উপস্থিতির খবরে পূজার উপর পারিবারিক ভাবে চাপ বাড়তে থাকে। পরে স্বর্ণালংকারটি পাওয়া গেলেও পূজার ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইনটি খুলে নেয়া হয়। এতে অভিমান করে আত্মহননের পথ বেছে নেয় বলে অনেকে ধারণা করছে। কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় দাশ ও এস আই অভিজিৎ দাশ জানান ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া না পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না।
৩১ ডিসেম্বর সকালে নিজের ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন কপিলমুনির ভাড়াটিয়া ও হরিঢালী গ্রামের মৃনাল ঘোষের বড় মেয়ে ও কপিলমুনি কলেজের অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মেধাবী ছাত্রী পূজা ঘোষ।