ভোজ্য তেলের দাম কমেছে

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরের বাজারে ভোজ্য তেলের দাম কমেছে। বেড়েছে রসুনের দাম। তেলের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমেছে ও রসুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।  অপরিবর্তিত আছে শাক-সবজি, চাল, ডাল, পেঁয়াজ ও মরিচের দাম। বৃহস্পতিবার যশোর শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম কমেছে। তেলের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৯২ টাকা থেকে ৯৪ টাকা। ৮০ টাকা থেকে ৮৪ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।

বাজারে রসুনের দাম বেড়েছে। গত কয়েক দিনের তুলনায় কেজিতে রসুনের দাম ২০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৯০টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা। আমদানি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৭০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি নতুন রসুন বিক্রি হয় ১শ’৬০ টাকা। ১শ’৮০ টাকা থেকে ২শ’টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত রসুন। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা। ৬০ টাকা বিক্রি হয় মরিচ।

শাক-সবজির দাম আগের মত আছে।  প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি ওল কপি বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ১শ’ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ২৫ টাকা। ১শ’৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মেটে আলু। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি ব্রুকলি বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মুলা। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাধা কপি। প্রতি কেজি ফুল কপি বিক্রি হয় ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা। ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পালংশাক। প্রতি কেজি পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয় ২০ টাকা।

বাজারে ডালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’১০ টাকা। ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ৮৫ টাকা। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে চালের আগের মত আছে। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৬ টাকা থেকে ২৮ টাকা। বিআর-২৮ চাল বিক্রি হয় ৩৭ টাকা থেকে ৩৮ টাকা। ৪০ টাকা থেকে ৪২ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাজললতা চাল। ৪৫ টাকা থেকে ৪৬ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।