৭ লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হলো এসএসএফ’র

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলায় ৭টি লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হলো সরদার সোলাইমান ফাউন্ডেশনের (এসএসএফ)। লক্ষ্যগুলো হলো দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নিয়মিত ও এককালীন সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান, শিক্ষাবৃত্তি ও বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ প্রদান, আর্থসামাজিক এবং আইনগত অধিকার রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুরক্ষার সহযোগিতা, মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ, কর্ম তদারকি ও গবেষণা সম্পাদন করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ বাস্তবায়নে সহায়তা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সাথে সংযোগ বৃদ্ধি করণের মাধ্যমে সম্পদ আহরণ পূর্বক উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা। মরহুম সোলাইমানের বড় ছেলে অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন গবেষণা কেন্দ্র ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ড. দাউদ হাসান এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা। শুক্রবার দুপুরে ফিটা কেটে ও কবুতর উড়িয়ে ফাউন্ডেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সোলাইমানের সহধর্মীনি আবজুনায়ারা বেগম। ড. দাউদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও মোহাম্মদ খসরুজ্জামান, যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক, কুষ্টিয়া সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ অরুপ কুমার গোস্বামী, মেহেরপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আব্দুস সালাম, টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল্লাহ আল মাসুম, অস্ট্রেলিয়ার সিডনির কেওআই ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মিসেস রিতা হাসান, অ্যাড.মোহাম্মদ হোসেন, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারেনা। একটি জাতির সভ্যতা-সংস্কৃতির উন্নতি অবনতি সব কিছু নির্ভর করে তার শিক্ষার উপর। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত ও সমৃদ্ধ। শিক্ষাহীন ব্যক্তি চোখ থাকতেও অন্ধ। আর তাই বলা হয় অজ্ঞতা অন্ধকারের সমতুল্য। বক্তারা আরো বলেন ভালো চাকরি পেতে মামা খালুর প্রয়োজন হয়না। সুশিক্ষায় শিক্ষিত হলে চাকরি মানুষকে খুঁজে নেবে। বক্তারা বলেন, সরদার সোলাইমান তার সন্তানদের দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। এখন সরদার সোলাইমান ফাউন্ডেশন চুড়ামনকাটি এলাকার পাশে থেকে সব ধরণের সহয়তা প্রদান করবেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।