নির্বাসখোলা আ.লীগ সভাপতি খালেকের দাফন সম্পন্ন

 

এম আলমগীর, বাঁকড়া (ঝিকরগাছা) : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাস্টার আব্দুল খালেকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার জোহরবাদ মরহুমের নিজবাড়ি রাজারডুমুরিয়া গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, যশোর- ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির, ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুছা মাহমুদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শাহাজান আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মীর বাবরজান বরুণ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বাপ্পি, নির্বাসখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, হাজিরবাগ ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টু, নাভারণ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ইলিয়াজ মাহমুদ, যুবলীগ নেতা কাজল রায়হান, বাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার হেলালউদ্দীন খান, হাজিরবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা আসাদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, গদখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাজান আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, নাভারন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বুলী, শংকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার আদম শফিউল্লাহ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান, নির্বাসখোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ শাহাদৎ হোসেন, সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, যুগ্মসম্পাদক শহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা নুরুল হক, আসাদুজ্জামান, তারিফ বিশ্বাস উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আবু সাঈদ মিলন প্রমুখ।

যশোর ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, মরহুম আব্দুল খালেক ছিলেন বঙ্গবন্ধু আদর্শের নিবেদিত প্রাণ। দলের টানে, দলের কাজে তিনি সবসময় অগ্রসেনানি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে ছড়িয়ে দলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি এলাকার উন্নয়নের জন্য এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সাথে সব সময় যোগাযোগ রেখে গ্রাম ও এলাকা উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতেন। তার এই চলে যাওয়ার অভাব আমাদের অনেক দিন পর্যন্ত পীড়া দেবে।