কমেছে ইলিশ ও রসুনের দাম

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরের বাজারে চালের দাম কেজিতে ২ টাকা থেকে ৩ টাকা বেড়েছে।  ইলিশ মাছ ও রসুনের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম আরো কমেছে। অপরিবর্তিত আছে শাক-সবজি, ডাল ও মরিচের দাম। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে চালের দাম বেড়েছে। বর্তমানে চিকন চালের সরবরাহ অনেক কমে গেছে। ফলে চালের দাম কেজিতে ২ টাকা থেকে ৩ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৯ টাকা থেকে ৩০ টাকা। বিআর-১০ চাল বিক্রি হয় ৩৫ টাকা থেকে ৩৬ টাকা। প্রতি কেজি বিআর-২৮ ও কাজল লতা চাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকা থেকে ৪২ টাকা। ৪৬ টাকা থেকে ৪৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।

অসময়ে বাজারে ইলিশ মাছের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম অনেক কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যান্য মাছের দামও কমেছে। প্রতি কেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হয় ৬শ’টাকা থেকে ৭শ’ টাকা।  মাঝারি সাইজের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয় ৪শ’ টাকা থেকে ৫শ’ টাকা। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ বিক্রি হয় ২ শ’ ৫০ টাকা থেকে সাড়ে ২ শ’ ৬০ টাকা। অন্যান্য মাছের মধ্যে প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হয় ১শ’৫০ টাকা থেকে ২শ’২০ টাকা। পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। কৈ মাছ বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা। ১শ’ টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় তেলাপিয়া মাছ। প্রতি কেজি শিং মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ৩শ’ টাকা থেকে ৪শ’ টাকা। সাড়ে ৩শ’ টাকা থেকে ৪শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় পাবদা মাছ। প্রতি কেজি মৃগেল মাছ বিক্রি হয় ১শ’৬০ টাকা থেকে ১শ’৮০ টাকা ।

বাজারে রসুনের দাম কমেছে। অপরিবর্তিত আছে পেঁয়াজের দাম। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় রসুনের দাম কেজিতে ৪০ টাকা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি দেশি নতুন রসুন বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা। ১শ’৮০টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত রসুন। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৭০ টাকা থেকে ১শ’ টাকা । আমদানি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৬০ টাকা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ১৫ টাকা। ৬০ টাকা বিক্রি হয় মরিচ।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৯২ টাকা থেকে ৯৪ টাকা। ৮০ টাকা থেকে ৮৪ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।

শাক-সবজির দাম অপরিকর্তিত আছে।  প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি ওল কপি বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি ব্রুকলি বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ১শ’২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ২৫ টাকা। ২শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মেটে আলু। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মুলা। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাধা কপি। প্রতি কেজি ফুল কপি বিক্রি হয় ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা। ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পালংশাক।

বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’১০ টাকা। ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ৮৫ টাকা। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’২০ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা। ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।