করোনাভাইরাসে যে সুবর্ণ সুযোগ

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক : শেষ কবে পছন্দের কবিতাটি আনমনে আওড়েছেন? শৈশবের ফেলে আসা বাড়ির ছাদ, ঘুলঘুলি, বাড়ির সামনে এক চিলতে মাঠে ছুটোছুটির কথা একসময়ের প্রিয় বন্ধুকে ফোনে বলেছেন? ভালোবেসে একদা যাঁকে ঘরে তুলেছেন, সেই প্রিয়তমার সঙ্গে মনখুলে কথা বলা হয় না কত দিন? এখন কিন্তু এসব অপূর্ণতা পূরণের একটা সময় এসে গেছে। পেছনের কারণটা কিন্তু করোনাভাইরাস। তা এ ভাইরাসকে যত অভিশাপই দিন না কেন, ঘরে থাকার সময়টা এরই কারণে। এটাই কিন্তু নিজের মতো করে সময় কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকেরা বলছেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে একমাত্র যখন ঘরে থাকাই হলো বড় প্রতিরোধ যুদ্ধ, তখন আপনি ভেঙে পড়বেন না, নিঃসঙ্গতা অনুভব করবেন না। বরং ভয়াবহ ব্যস্ততার বাস্তবতায় অথবা ওপরে ওঠার মোহের কারণে সময় না দিতে পারায় যেসব সম্পর্ক একটু একটু করে আলগা হতে হতে প্রায় ছুটে যাওয়ার জোগাড় হয়েছিল, এই মহামারি বরং সেই সম্পর্কগুলো ফের জোড়া লাগার একটা সুযোগ করে দিয়েছে।

ঘরে বসে থেকে এ সময়টা কাজে লাগানোর ব্যাপারে তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ ও যৌনস্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান সালাহ্‌উদ্দিন কাউসার বিপ্লব প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘এই মহামারির সময় যখন বাড়িতে বসে বসে সময় কাটাচ্ছেন, তখন এটিকে দারুণভাবে নিজেকে ফিরে পাওয়ার কাজে লাগান। মহামারি একদিন ঠিকই চলে যাবে। দেখবেন, এরপর নিজেকে নতুন করে খুঁজে পেয়েছেন আপনি।’

তিনটি জিনিস পালনে ডব্লিউএইচওর পরামর্শ
বাসায় যাঁরা ঘরবন্দী জীবন যাপন করছেন, এমন মানুষদের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। সেই নির্দেশিকায় তিনটি নিয়ম মেনে চলতে অনুরোধ করা হয়েছে। এগুলো হলো—এক. উদ্বেগ এড়াতে সারাক্ষণ করোনা বিষয়ের খবর দেখা বন্ধ রাখতে হবে; দুই. করোনা থেকে কীভাবে নিজেকে সুস্থ রাখা যাবে, এ ব্যাপারে তথ্য জোগাড় করার দিকে জোর দিতে হবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে তথ্য নিন
করোনাভাইরাস–সংক্রান্ত তথ্য পেতে সব সময় খোঁজাখুঁজি করতে বারণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যমের বাইরে তথ্য সংগ্রহ না করার জন্য অনুরোধ করেছেন তাঁরা। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যগুলো খতিয়ে দেখা সম্ভব হয় না অনেক সময়। ফলে যাচাইহীন এসব অনুমাননির্ভর তথ্য মানুষের মধ্যে সংক্রমণের ভয় আরও বাড়িয়ে দেয়।

রাজধানীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের চাইল্ড এডোলেসেন্ট ও ফ্যামিলি সাইকিয়াট্রি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোয় এক লেখা নিবন্ধে বলেছেন, ‘কেবল বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া সঠিক তথ্যের ওপর ভরসা রাখুন। করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্যকারী এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধিসংক্রান্ত তথ্যসমূহ নিজে জানুন আর পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে রাখুন। তথ্যের জন্য কেবল নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞানসম্মত উৎস, যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় বা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা সরকার থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বিশেষজ্ঞের ওপর আস্থা রাখুন।’

পরিবারকে সময় দিন
ঢাকায় একটি বিদেশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করেন মুশফিক আহমেদ (ছদ্মনাম)। প্রায় বিদেশে যেতে হয়, দেশে থাকলে সারা দিন ব্যস্ততা। সাত বছর প্রেম করে বিয়ে করার পর থেকেই প্রেম ফিকে হয়ে আসছিল। করোনার কারণে মুশফিকের বিদেশ যাওয়া বন্ধ। আর এখন বাসার বাইরে যাওয়া বন্ধ। বহুদিন পরে স্ত্রীকে সময় দিচ্ছেন। পুরোনো ছবির অ্যালবাম যেন স্মৃতির জানালা, একটার পর একটা পাতা ওল্টাচ্ছেন আর মনে পড়ে যাচ্ছে রাঙতায় মোড়ানো অদ্ভুত সব সুন্দর দিনের কথা।

প্রথম আলোকে মুশফিক বলেন, ‘ওপরে ওঠার মোহ ও অফিসের চাপ—সব মিলিয়ে সম্পর্কটা যেন সুতার ওপর ঝুলছিল। আমরা নিজেদের কাছে ফিরতে পেরেছি। এই মহামারি একদিন চলে যাবে। আমরা দুজন দুজনকে নতুন করে আবার আবিষ্কার করতে পারব।’ শুধু স্ত্রী নয়, সন্তান, মা–বাবা বা পরিবারের সদস্যদের সময় দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল ও কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান মাহজাবীন হক বলেন, ‘জীবনে অনেক পরিবর্তন ঘটে। এগুলো ইতিবাচকভাবে দেখে তা থেকে ভালোটা নেওয়াই হলো বুদ্ধিমান মানুষের কাজ। এখন ঘরে বসে থাকার সময়, স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোনকে সময় দিন। তাদের সঙ্গে গল্প করুন। অতিতে কী কী ভুল হয়েছে তা মনে করুন। সম্পর্কগুলো ঝালাই করে নিন। এতে আগামী দিনগুলোয় সুখী জীবন ও সহজ জীবনযাপনে সহায়ক হবে।’

এ সময় নতুন নতুন রান্নার কোন ধরনের পদ করা যায়, তা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। এতে সময় যেমন ভালো কাটবে, তেমনি পরিবারের মানুষের কষ্টও কিছুটা কমবে। কারণ, অধিকাংশ বাড়িতে কাজের বুয়াকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

নিজের অভিজ্ঞতা বিনিময় করুন
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে বলছেন। তিনি কীভাবে, কোথা থেকে আক্রান্ত হয়েছেন, কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, এসব সত্যিকার পূর্ণাঙ্গ তথ্য থাকলে যাঁরা এখনো আক্রান্ত হননি, তাঁদের জন্য এই তথ্য খুব উপকারে আসবে বলে মনে করছে সিডিসি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আক্রান্ত ব্যক্তিরাই নন, যাঁরা বাসাবাড়িতে গৃহবন্দী হিসেবে সময় কাটাচ্ছেন, তাঁরা এই সময়কার মুহূর্তগুলো লিখে রাখতে পারেন। সেগুলো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন। এতে যাঁরা ঘরে রয়েছেন, তাঁরা একে অন্যর অভিজ্ঞতা, চিন্তার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।

ঘরের মধ্যে ব্যায়াম করুন
যাঁরা নিয়মিত হাঁটতেন বা ব্যায়াম করতেন, প্রাণঘাতী ভাইরাসের কারণে সেসব বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু চিকিৎসকেরা বলছেন, ঘরের মধ্যেই ব্যায়াম করতে হবে। এটি ছেড়ে দেওয়া যাবে না। ব্রিটিশভিত্তিক গণমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, দক্ষিণ স্পেনের একজন শরীরচর্চাবিদ তাঁর বাসভবনের মাঝখানের খোলা জায়গায় নিয়মিত ব্যায়ামের ক্লাস করাচ্ছেন। সেটি দেখে ওই ভবনের অন্যরা নিজের বাসার ব্যালকনিতে ব্যায়াম করছেন।

এ সময় শুধু নিজে ব্যায়াম না, পরিবারের অন্য সদস্যদেরও ব্যায়াম করার ব্যাপারে উৎসাহ দিতে হবে। এ বিষয়ে হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে এখন উড়ছে অতিপ্রচার, অপপ্রচার এবং বিভিন্ন গুজব। গুজবে কান দেবেন না। পরিবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় কাটান। সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করুন, রুটিন বিষয়গুলো, যেমন ঘুম, ঠিক সময়ে খাবার, বাড়িতে হালকা ব্যায়াম ইত্যাদি বন্ধ করবেন না। সুষম আর নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করুন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সময়মতো ঘুমান, হালকা ব্যায়াম করুন এবং অবশ্যই নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ধূমপান, মদ্যপান বা নেশা এড়িয়ে চলুন।’

মানুষের পাশে দাঁড়ান
বাংলাদেশের মতো দেশে করোনার প্রভাব সবচেয়ে খারাপভাবে পড়ে দরিদ্র মানুষের ওপর। যেসব মানুষ দিন এনে দিন খায়, তাদের বেশি কষ্ট হবে। এটি শুরু হয়ে গেছে। ঢাকার রাস্তা ফাঁকা হয়ে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষুদ্র ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের ভয়াবহ দুর্দিন শুরু হয়েছে। অধিকাংশ বাসা থেকে কাজের মানুষ ও দুধ বিক্রেতাকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। এসব দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোও একটা বড় কর্তব্য হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেকের দরিদ্র আত্মীয়স্বজন রয়েছে। সাধ্যমতো তাদের সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা। অনেকে অপ্রয়োজনীয় খাদ্য, স্যানিটাইজার, সাবানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মজুত করেছেন, তাঁরা এর কিছু কিছু এসব দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করতে পারেন।

খারাপ সংবাদ কম দেখুন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘনঘন খারাপ সংবাদ বা নেতিবাচক সংবাদ এ সময় না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ, এগুলো মনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। গণমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করোনা সংক্রমণসংক্রান্ত নেতিবাচক সংবাদ এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মন উৎফুল্ল থাকে—এমন ধরনের অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

মাহজাবীন হক বলেন, এ সময় নেতিবাচক সংবাদ যত কম দেখা যায় তত ভালো। কারণ এটি দেখে রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারবে না, উল্টো মানসিক অস্থিরতা তৈরি হবে। এটি শরীরের জন্য মারাত্মক খারাপ। ফলে মন ভালো থাকে—এমন সবকিছু দেখা। তবে সব সময় ইউটিউব ও টিভি না দেখা ভালো। বরং এ সময় পরিবারের সঙ্গে গল্প করে সময় কাটান। শিশুদের সময় দেন।

অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ নিজের ওপর আস্থা রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘অতীতে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনার দক্ষতা আর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগান। আত্মপ্রত্যয়ী থাকুন; এতে আপনার মানসিক চাপ অনেকাংশে লাঘব হবে।’

সৃজনশীল কাজে মন দেন
একসময় হয়তো কবিতা লিখতেন, হয়তো আপনার কোনো ছোটগল্প কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালপত্রিকায় ছাপাও হয়েছে। এই দীর্ঘ অবসরে আবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

যাঁরা আঁকাআঁকি পছন্দ করেন, তাঁরা চেষ্টা করে দেখতে পারেন চিত্রকর্মের। গবেষকেরা গবেষণার পুরোনো হিসাব–নিকাশগুলো মিলিয়ে দেখতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে শিশুদের আঁকাআঁকির ক্লাস খুলেছেন একজন। সেটি থেকে অনেকে শিখছেনও। ভালো কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। সৃজনশীল কিছু করতে পারলে দেখবেন মনে প্রশান্তি আসছে।

বন্ধুদের খোঁজ নিন
আপনার বিরুদ্ধে হয়তো সবচেয়ে বড় অভিযোগ, বন্ধুদের খোঁজ নেন না। কালেভদ্রে হয়তো ফোনও করেন না। এখন অনেক সময় হাতে। পুরোনো বন্ধুদের খোঁজ নিন। ফোনে গল্প করুন। প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্স করে পুরোনো বন্ধুরা অনলাইনে জমাট আড্ডা দিতে পারেন। এটি বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করতে কাজে দেবে।

সিনেমা দেখা, গান শোনা, বই পড়া
বাংলাদেশেও অ্যাপভিত্তিক ভিডিও স্ট্রিমিং জনপ্রিয় হচ্ছে। অনেকেই নেটফ্লিক্সসহ বিভিন্ন ধরনের ভিডিও স্ট্রিমিং সার্বস্ক্রাইপ করেছেন। আবার বিনা মূল্যে ইন্টারনেট ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বহু নামকরা সিনেমা। অবসরের এই সময় কাটাতে সিনেমা দেখতে পারেন। শুনতে পারেন পুরোনো দিনের গান বা সম্প্রতি প্রকাশিত গান।

প্রিয় লেখকের তালিকা থেকে পড়া শুরু করতে পারেন বই। বাংলাদেশে সবে শেষ হয়েছে বইমেলা। অনেকেই বই কিনেছেন। কিন্তু এখনো পড়া শুরু করতে পারেননি। এটাই ভালো সময় বই পড়ার।

নিজের কাছে ফেরা
হঠাৎ কোনো মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেলে বা সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতে ফিরতে ব্যস্ত ট্রাফিক সিগনালের মোড়ে অথবা নেহাত কাজের ফাঁকে মনে পড়ে যায়, কী হতে চেয়েছিলেন আর কী হলেন। এই যে নিজের কাছে নিজের প্রশ্নগুলোর উত্তর ছাড়াই হয়তো দিনগুলো চলে যাচ্ছে। এই নিরন্তর ঘরে থাকার সময় নিজের কাছে ফিরুন। নিজের সঙ্গে কথা বলুন। খুব ধীরে নিজের হৃদয়ের কাছে কান পাতুন, কী কথা বাকি আছে বলা? নিজের কাছে নিজের ফেরার এটাই হয়তো সবচেয়ে ভালো সময়।

বিবিসি, গার্ডিয়ান, সিডিসি ও দেশের চিকিৎসক এবং মনোবিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।