চৌগাছায় তরুনী আইসোলেশনে : ৬ বাড়ি লকডাউন

 

 

চৌগাছা প্রতিনিধি : যশোরের চৌগাছা পৌরসভার পশ্চিম কারিগর পাড়ার এক তরুনীর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ৬টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম, পৌর মেয়র নূর উদ্দিন আল মামুন হিমেল ও এসিল্যান্ড নারায়ণ চন্দ্র পাল, চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীবসহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা তরুনীর বাড়িসহ পার্শ্ববর্তী চারটি বাড়ি লকডাউন করেন। পরে ওই তরুনীর সংস্পর্শে আসা উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের তার স্বামীর বাড়ি এবং তরুনীর বান্ধবীর বাড়ি লকডাউন করা হয়। তার স্বামী বিদেশ ফেরত বলে জানা গেছে।

ওই তরুনীকে প্রথমে চৌগাছা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে তরুনীর দেহে করোনা ভাইরাস আছে সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। লকডাউনকৃত বাড়িগুলির ছয়টি পরিবারের সদস্যদের হোম ‘কোয়ারেন্টিনে’ রাখা হয়েছে।

চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন ওই নারীর শরীরে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যাওয়ায় তার করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডিসিআরএ পাঠানো হয়েছে।  সেখানে তাকে ‘আইসোলশনে’ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

চৌগাছা পৌর মেয়র নূর উদ্দিন আল মামুন হিমেল বলেন, লকডাউন করে দেয়া বাড়ির বাসিন্দাদের বাইরে বের না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ভাড়াটিয়া বাড়িটির মালিক জানান ওই তরুনী হাকিমপুরের যুবককে স্বামী পরিচয় দিয়ে মার্চ মাসের শুরুতে বাড়িতে ভাড়ায় ওঠে। তবে চৌগাছা হাসপাতালে তিনি নিজেকে অন্য নাম ঠিকানা দিয়ে ভর্তি হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চৌগাছা পৌরসভার কারিগর পাড়ায় যে যুবককে স্বামী পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নেন। তিনি প্রকৃত স্বামী নন। তার স্বামীর বাড়ি রংপুর জেলায়। চৌগাছা আসার আগে কোটচাঁদপুরে ভাড়া থাকতেন। ওই তরুনীর কাছে সেখানে বিভিন্ন লোকজন আসা যাওয়া করতো।