বাঁকড়ায় সকল পত্রিকা বিতরণ ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ

এম আলমগীর, বাঁকড়া(ঝিকরগাছা):
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া বাজারে গত ২৬ মার্চের পর থেকে কোন পত্রিকা বিতরণ হচ্ছে না। ফলে পত্রিকা পাঠকদের তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে টিভি ও অনলাইনের দিকে।
বাঁকড়া বাজারের পত্রিকা পরিবেশক ইদ্রিস আলী জানান, গত ২৬ মার্চের পর থেকে সারা দেশের মত বাঁকড়া বাজারেও পুলিশ অভিযান চালায়। ঔষধ, মুদি ও কাঁচামালের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। এ সময় এক পুলিশ তাকে পত্রিকা বিতরণ করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন, পত্রিকা দেয়া লাগবে না। সরকার বাড়িতে খাদ্য পৌছায় দেবে। তারপর থেকে ইদ্রিস আলী আর পত্রিকা বিতরণ করছে না । ফলে বাঁকড়া বাজারের জাতীয় পত্রিকা বিতরণও বন্ধ রয়েছে।
এদিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে যশোরের সকল পত্রিকা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করে সংবাদপত্র পরিষদ। তা আবার বর্ধিত করে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু জাতীয় পত্রিকা প্রকাশ চলমান রয়েছে। বাঁকড়া বাজারে জাতীয় পত্রিকা প্রথম আলো, জনকন্ঠ, যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিন, আমাদের সময়, ভোরের ডাক, যায়যায়দিন, নয়াদিগন্ত, ইনকিলাব, সোনার বাংলা, সংগ্রাম, ডেইলী স্টার সহ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার মোট ৩০০-৩৫০ জন পাঠক রয়েছে। প্রতিদিন সকালে চায়ের কাপে চুমুক দেয়া যেমন তাদের নেশা, ঠিক সকালে আগে পত্রিকার পাতায় চোখ বুলানোও নেশা। কিন্তু গত ২৬ তারিখের পর থেকে স্থানীয় পত্রিকার সাথে সাথে জাতীয় পত্রিকা বিতরণও বন্ধ থাকায় বাঁকড়া জনপদের মানুষ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছে না বলেও অনেক পাঠক অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শাহিনুর রহমান বলেন, পত্রিকা বিরতণের জন্য কোন নিষেধ করা হয়নি আর এটা নিষেধ করার এখতিয়ারও আমার নেই। বরং পত্রিকা পড়ে মানুষ বিভিন্ন বিষয় জানতে পারবে। প্রকাশনার যদি কোন বিষয় থাকে তাহলে সেটা কর্তৃপক্ষের আমাদের না।