নদের মাটি শুকিয়েছে কিন্তু বন্ধ ভৈরব খনন

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোর শহরের কাঠেরপুল থেকে বিরামপুর পর্যন্ত ভৈরব নদের খনন কাজ ২০১৯ সালের আগস্টে শুরুর  কথা থাকলেও পানি শুকানোর অজুহাতে শুরু হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। কাদার কারণে খনন হয়নি বললেই চলে। এখন নদের তলদেশ শুকিয়ে মাটি হয়েছে শক্ত, কিন্তু খনন রয়েছে বন্ধ। করোনার কারণে খনন করা যাচ্ছে না। কবে শুরু হবে তাও অনিশ্চিত। এরমধ্যে আগামী জুনে শেষ হচ্ছে দরপত্র মেয়াদ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শহরের কাঠেরপুল থেকে বিরামপুর পর্যন্ত ভৈরব নদের খননেন কার্যাদেশ দেয়া হয় ২০১৯ সালে ৬ আগস্ট । এ কাজ শেষ হওয়ার সময় চলতি বছরের ৬ জুন। ব্যয় নির্ধারণ করে দেয়া হয় ১১ কোটি ১৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৫ টাকা। অথচ যশোর পৌরসভার বিভিন্ন বাড়ি, প্রতিষ্ঠানের পানি আসতো ভৈরব নদে। পানির কারনে ভৈরব নদের কাজের পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড খনন কাজ শুরু করে গত জানুয়ারি মাসে। তাতেও ছিল ধীর গতি।  সে কারণে এখন টেন্ডার অনুযায়ী ভৈরব নদ খনন করা হয়নি। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ভৈরব নদ খনন কাজ বন্ধ রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। আর মাত্র দুই মাস আছে খনন কাজ শেষ করার মেয়াদ। এ মেয়াদ শেষ হলে ও ভৈরব নদ খনন কাজ শেষ করা যাবে না বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম জানান, এতদিন ভৈরব নদে পানি থাকার কারণে খনন কাজ শুরু করা যায়নি। পরে কাজ শুরু করলেও তেমন অগ্রগতি হয়নি। এখন ভৈরব নদ খননের সঠিক সময়। কারণ ভৈরব নদে পানি শুকিয়ে মাটি শক্ত হয়ে গেছে। খনন কাজ দ্রুত করে অনেক এগিয়ে নেয়া যেতো। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারনে খনন কাজ বন্ধ রয়েছে। অবস্থা স্বাভাবিক হলে কাজ খনন শুরু হবে। তখন নতুন টেন্ডার দিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। আবার বৃষ্টির কারণে কাজ বন্ধ রাখা হবে। এসব কারণে ভৈরব নদ খনন সহজে শেষ করা যাচ্ছে না।