যতদিন করোনা ততদিন যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও টাউন হল মাঠে বাজার

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোরের বড়  কাঁচা তরকারি ও মাছ মুরগীর বাজার স্থানান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাজার বসানো হয়েছে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও টাউন হল মাঠে। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সবজির বাজার, টাউন হল মাঠে বসানো হয়েছে মাছ,মাংস ও মুরগির বাজার। করোনার ঝুঁকি কমাতে ও  বাজারে মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান যশোর জেলা প্রশাসন। আগে এ বাজার ছিল এইচএমএম রোডে। সেখান থেকে মানুষ সবজি ও মাছ কেনাকাটা করতো। কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বাজার করতো ক্রেতারা। করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি কমাতে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাতে ক্রেতারা কেনাকাটা করে এজন্য যশোর জেলা প্রশাসন ও  পৌর সভার যৌথ উদ্যোগে গত ১৫ এপ্রিল কাঁচা বাজার সরিয়ে নেয়া হয় লোন অফিস পাড়ায় ও ২৪ এপ্রিল মাছ বাজার বসানো হয় খালধার রোডে। সেখানে জায়গা কম থাকায় মানুষের ভিড় বেশি হচ্ছিল। মঙ্গলবার সেখান থেকে বাজার সরিয়ে নেয়া হয় সম্মিলনী স্কুলে। এরপর প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে শহরের কেন্দ্রিয় ঈদগাহ মাঠে সবজি বাজার ও টাউন হল মাঠে মাছ বাজার বসানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি যতদিন থাকবে ততদিন শহরের মানুষ এখান থেকে বাজার করবে বলে জানান যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ। করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে মানুষ যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করেন। এজন্য পুলিশ প্রশাসন দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন। কিন্তু ব্যবসায়ীদের বিক্রি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার লক্ষে প্রশাসন থেকে মঙ্গলবার মতবিনিময় সভা করে বৃহস্পতিবার ঈদ মাঠে কাঁচাবাজার ও টাউন হল মাঠে মাছ, মুরগি ও মাংসের বাজার বসানো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ দুই মাঠে সারিবদ্ধ সাড়ে তিনশ’ দোকান বসানো হয়েছে। সেখানেই প্রথম দিন ব্যবসায়ীরা বেচাকেনা করেছেন। ক্রেতাদের অনেক ভিড় ছিল। যশোরের পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু বলেন যশোরবাসীর এখন করোনা ঝুঁকি কমানোর জন্য এ বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করতে পারবে। কারন এ দুই মাঠে অনেক জায়গা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে দুরত্ব বজায় রেখে ক্রেতা কেনাকাটা করলে মানুষের বেশি ভিড় জমবে না।

এ ব্যাপারে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ জানান, জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে কাঁচা বাজার স্থানান্তর করা হয়েছে। যাতে করে মানুষ বাজারে সামাজিক দুরত্ব বাজায় রেখে বাজার করতে পারবে। এতে করোনা ঝুঁকি মুক্ত থাকবে।