গৃহবধূ লায়লাতুন আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার ৩ আসামি আটক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের চৌগাছায় গৃহবধূ লায়লাতুন জান্নাত আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার তিন আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে চৌগাছা থানা পুলিশ বাড়ি থেকে তাদের আটক করে। আটককৃতরা হলো লায়লাতুনের শাশুড়ি জুলেখা বেগম, ননদ ইসমাতারা ওরফে তারা বেগম ও বকুল মন্ডলের স্ত্রী মর্জিনা পারভীন মণি। পুলিশ রোববার তাদের আদালতের সোপর্দ করেছে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, স্বামী ইসমাইলের দাবিকৃত ২ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে রাজি না হওয়ায় গত ২৩ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে লায়লাতুনকে মারপিট করা হয়। বিষয়টি মোবাইল ফোনে লায়লা তার পিতাকে জানান। এরপর গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ সকলে মারপিট করে। গুরতর আহত লায়লাতুনের অবস্থার অবনতি হলে মুখে কীটনাশক ঢেলে দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। একইদিন সন্ধ্যার পর লায়লাতুনকে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পর যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ১ মে সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে লায়লতুন মারা যায়। বিষয়টি লায়লার পিতার বাড়িতে জানানো হয়নি। ১ মে দুপুরে লোক মারফত জানতে পেরে চৌগাছায় এসে লায়লাতুনের পিতা লায়লার পিতা নড়াইল শহরের মহিষখোলার অ্যাডভোকেট শেখ তায়েব আলী থানায় অভিযোগে দেন। সন্ধ্যার পরে থানার এসআই গিয়াস উদ্দিন তিলকপুর স্বামীর বাড়ি থেকে লায়লার লাশ উদ্ধার করে। মামলার অভিযোগে ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার রাতে ওই তিনজনকে আটক করে।

এ মামলার প্রধান আসামি লায়লাতুনের স্বামী ইসমাইল, দেবর হাসান মন্ডল, বকুল মন্ডল, শ^শুর এক্সের আলী মন্ডলসহ ৫জন পলাতক রয়েছে।