শিক্ষকদের পাওনা ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা দিচ্ছে যশোর বোর্ড

মিরাজুল কবীর টিটো : আগামী সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষকদের পাওনা ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৩৫ হাজার ৭৯০ টাকা পরিশোধ করবে যশোর শিক্ষা বোর্ড । ডাচবাংলা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষকদের এই টাকা পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানান শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক (হিএনও) এমদাদুল হক।

তিনি  জানান, ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষক, ২০১৯ ও ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষকদের পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি, পরিশোধনের বকেয়া ছিল ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৫১ হাজার ২৭১ টাকা । তাদের বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য বুধবার ডাচবাংলা ব্যাংকের কাছে এই চেক হস্তান্তর করা হবে। আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবারের মধ্যে শিক্ষকদের মোবাইল ব্যাংকে টাকা পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানান শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক (হিএনও) এমদাদুল হক । তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে চেয়ারম্যান স্যার যোগদান করার পর দ্রুত এই বিল পরিশোধ করার উদ্যোগ নেন।

জানা গেছে,  যশোর শিক্ষাবোর্ড ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষকদের বিলের সাথে ২০১৯ ও ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি, পরিশোধনের বকেয়া বিলের চেক পাশ করেছে চেয়ারম্যান । জেএসসি পরীক্ষকদের সাথে অন্য শিক্ষকদেরকে তাদের পরীক্ষা সংক্রান্ত বকেয়া বিল দেয়া হবে।

২০১৯ সালে জেএসসিতে পরীক্ষাক, প্রধান পরীক্ষক ও নিরীক্ষক ছিলেন ৬১৮৪ জন। তাদের জন্য চেক পাশ করা হয়েছে ৩ কোটি ৯ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৪ টাকা।  ২০১৯ সালে এইচএসসিতে প্রশ্ন সেটর ও মডারেটর ছিলেন ৩১৫ জন। তাদের জন্য চেক পাশ করা হয়েছে ৩৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬০ টাকা। ২০২০ এইচএসসিতে প্রশ্ন সেটর ও মডারেটর ছিলেন ৩৩১ জন। তাদের জন্য ৩৪ লাখ ৩২ হাজার ৫২৫ টাকার চেক পাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৯ সালে ৪৬ জন এইচএসসি পরীক্ষকের ডাচবাংলা  মোবাইল ব্যাংকিং চালু না থাকায় তাদের জন্য নতুন করে ৪ লাখ ১৩ হাজার ১৪২ টাকার চেক পাশ করা হয়েছে।

শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, এসব বেশ আগেই প্রস্তুত করা হয়েছে। করোনা দুর্যোগের জন্য কিছুদিন দেরি হয়ে গেল। দেশের অবস্থা পূর্বের মত থাকলে শিক্ষকরা আরো আগেই বিল পেয়ে যেতেন।

শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন বলেন, শিক্ষকরা যেন সুন্দরভাবে ঈদ করতে পারেন। তাই এই দুর্যোগের মধ্যেই চেক পাশ করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যেই সব শিক্ষক তাদের বিল পেয়ে যাবেন। তার যোগদানের আগে শিক্ষকদের এসব বিল আটকে ছিল। তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে যোগদান করার পর দ্রুত এই বিল পরিশোধ করার উদ্যোগ নেয়া হয়।