মুজিব সড়কে ঈদবাজারে সমস্যা, যশোরের দড়াটানা- চাঁচড়া চার লেনের কাজ বন্ধ

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোর শহরের দড়াটানা থেকে চাঁচড়া মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ আজ শনিবার থেকে আবার বন্ধ থাকবে। একদিকে ঈদ বাজারে মানুষের ভিড় অন্যদিকে রাস্তার কাজ করায় ব্যবসায়ীদের সমস্যা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঈদ পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখা হবে বলে জানান সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন।

গত ২৫ এপ্রিল রমজান মাস শুরু হয়েছে। রমজানের মধ্যে চার মাস পর গত ২৭ এপ্রিল সোমবার থেকে শুরু হয় যশোর শহরের দড়াটানা থেকে চাঁচড়া মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ। আর ১০ মে থেকে সরকারিভাবে যশোরের সকল দোকানপাট,শপিংমল খুলে দেয়া হয়েছে। দোকানপাট,শপিংমল খুলে দেয়ায় বাজারে পোশাক কেনা কাটায় মানুষের উপচে পড়া ভিড় হচ্ছে। সেই সাথে যানবাহন চলাচল করছে। এরই মাঝে শহরের দড়াটানা থেকে চাঁচড়া মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য  স্কেভেটর দিয়ে খনন কাজ করায় রাস্তার জায়গা কমে যাওয়ায় প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা বেচাকেনা করতে গিয়ে পড়ছেন সমস্যায়। এ কারণে ব্যবসায়ীরা সড়ক ও জনপথ বিভাগে বিষয়টি জানিয়েছেন। সে কারণে শহরের দড়াটানা থেকে চাঁচড়া মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ ঈদ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ঈদের পরে কাজ আবার শুরু করা হবে।

এর আগে যশোর পৌরসভার ও সড়ক জনপথ বিভাগ আলোচনা করার পর এ রাস্তাটি ফোর লেন কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেয়া হয় ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে। ওই সালের ৫ নভেম্বর কাজের উদ্বোধন করেন যশোরের পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু। এরপর চাঁচড়া মোড় থেকে দড়াটানা পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা চার লেনের করার কাজ যশোর-বেনাপোল সড়ক নির্মাণ কাজের সাথে নতুন করে অন্তর্ভূক্ত করা হয় । ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩২৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে চাঁচড়া মোড় থেকে দড়াটানা পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা ফোর লেনের কাজের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকা।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন জানান জনগনের কথা ভেবে রাস্তা চার লেনে উন্নীতকরনের কাজ আজ রোববার থেকে বন্ধ রাখা হচ্ছে। ঈদ বাজারের কাপড় ব্যবসায়ীদের  সমস্যা হওয়ার কারণে কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কাজের মেয়াদ রয়েছে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। ঈদের পর কাজ  শুরু করা হলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়ে যাবে। এতে কোন সমস্যা হবে না।