করোনাভাইরাস : এক দিনে রেকর্ড ১২৭৩ রোগী শনাক্ত

বিডিনিউজ: এক দিনে রেকর্ড ১ হাজার ২৭৩ জনের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২২ হাজার ২৬৮ জন।

রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ১৪ জন । এ নিয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩২৮ জনে।

বাংলাদেশে ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলার পর আর কখনও এক দিনে এত নতুন রোগী শনাক্ত হয়নি।

সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৫৬ জন। সব মিলয়ে এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৩৭৩ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা রোববার দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ১ জন নারী। তাদের পাঁচজন ছিলেন ঢাকা মহানগরীর বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে ১ জন সাভারের, ১ জন কেরাণীগঞ্জের, ৪ জন চট্টগ্রাম মহানগরীর, ১ জন কুমিল্লার, ১ জন শরীয়তপুরের এবং ১ জন নারায়ণগঞ্জের।

তাদের একজনের বয়স ছিল ৮০ বছরের বেশি, তিনজনের ৭১ থেকে ৮০ বছরেরর মধ্যে। এছাড়া ৩ জনের বয়স ছিল ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, ৩ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরেরর মধ্যে, ২ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ১ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এবং ১ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ছিল।

বুলেটিনে জানানো হয়, সারা দেশে ৪২টি ল্যাবে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হয়েছে শনিবার। নতুন যুক্ত হয়েছে সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৭৬ জনকে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে; সারা দেশে এখন আইসোলেশনে রয়েছেন ৩ হাজার ২৪৮ জন।

নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মহানগরীতে ২০০টি আইসোলেশন শয্যা বেড়েছে। এখন ঢাকার হাসপাতাগুলোতে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ৩ হাজার ১০০টি। ঢাকার বাইরে আইসোশেলন শয্যার সংখ্যা ৬ হাজার ৩৪টি।

সারা দেশে এখন ৩৩৯টি আইসিইউ ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে, ডায়ালাইসিস ইউনিট রয়েছে ১০২টি। এই সংখ্যা আরও বাড়াতে কাজ চলছে বলে জানান অধ্যাপক নাসিমা।

গত এক দিনে আরও ৩ হাজার ৬৩৪ জনকে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে এবং সারা দেশে এখন ৪৯ হাজার ৪১৭ জন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন বলে বুলেটিনে তথ্য দেওয়া হয়।