কেশবপুরের সন্ত্রাসীদের ভয়ে ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছে না একটি পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর কেশবপুরের টিটাবাজিতপুরের সন্ত্রাসী হুমায়ুন ও তার লোকজনের হামলা ও মামলার ভয়ে একটি পরিবার জমির ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছেনা। হুমায়ুন তার প্রভাবশালী আত্মীয়ের ভয় দেখিয়ে এ অপরাধ কর্মকান্ড করে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে কোথাও কোন অভিযোগ করলে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয় না। রোববার প্রেসক্লব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগে করেন ওই গ্রামের সেলিম রেজা মনির।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার ভাই মুরাদুজ্জামান, মাসুদুজ্জামান, চাচা শহিদুল ইসলাম, আব্দুল কাসেম, দাদা আবুল হোসেন প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে সেলিম রেজা মলিন বলেন, হুমায়ুন তার চাচাত ভাই। তার পিতা হুমায়ুনসহ চারভাইকে পড়ালেখা শিখিয়ে মানুষ করেছে। এক সময় তার পিতাও তাদের হাতে লাঞ্চিত হয়েছে। হুমায়ুন বিভিন্ন সময়ে সরকার দলের লোকের সাথে মিশে থেকে এলাকার বিভিন্ন যুবকদের চাকুরি দেয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, হুমায়ুনের কাছ থেকে তিনি আড়াই বিঘা জমি কিনেছেন। হাসানপুর বাজারে হুমায়ুনের বাড়ি কেনা হয় ১৯ লাখ টাকা দিয়ে। এরমধ্যে তাকে সাড়ে ১১ লাখ টাকা দেয়া হয়। এখন বাড়ি ও টাকা কোনটা দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এরপর থেকে হুমায়ুন ও মুকুল তাদের নামে একেরপর এক  মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। হুমায়ুন কোন অভিযোগ দিলে তাদের দুই প্রভাবশালী আত্মীয়ের সুপারিশে সত্য-মিথ্যা যাচায় না করে তা গ্রহণ করে নেয় প্রশাসন। তাদের মামলার ভয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা এখন বাড়িতে উঠতে পারছে না। এখন মাঠে ধান পেকেছে। হুমায়ুন ও তার লোকজনরে হামলা মামলার ভয়ে ধান কেটে বাড়িতে আনতে পারছে না। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।