কাল থেকে বিশেষ ওএমএস কার্ডের চাল বিক্রি শুরু

মিরাজুল কবীর টিটো : করোনা ভাইরাসে অসহায় গরিব মানুষের মানবিক সহায়তা দেয়ার লক্ষে যশোরের আট পৌরসভায় চালু করা হয়েছে ২৪ হাজার ৬শ’ বিশেষ  ওএমএস কার্ড  (রেশন কার্ড)। এ কার্ডে ২৪ জন ডিলার বিক্রি করতে পারবে ৪৯২ মেট্রিকটন চাল। আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০জুন পর্যন্ত চলবে বলে জানান যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক লিয়াকত আলী।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদফতর জানিয়েছে, যশোরের অসহায় মানুষ যাতে খাদ্য সংকটে না পড়ে এজন্য যশোর জেলায় চালু করা হয়েছে বিশেষ ওএমএস কার্ড। ঢাকার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদফতরের চিঠির প্রেক্ষিতে যশোর জেলার আট পৌরসভায় ২৪ হাজার ৬শ’  বিশেষ ওএমএস কার্ড  (রেশন কার্ড) চালু করা হয়েছে। এ কার্ডের  মাধ্যমে ৩০ জুন মাস পর্যন্ত একজন মানুষ কিনতে পারবেন এক মন চাল। আগামীকাল বুধবার থেকে যশোর পৌরএলাকায় বিশেষ ওএমএস কার্ডে চাল বিক্রি  শুরু হবে বলে জানান যশোর পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন।  ২৪ হাজার ৬শ  বিশেষ ও এমএস কার্ডের মধ্যে যশোর পৌরসভায় ৯ হাজার ৬শ’ কার্ডে বিক্রি হবে ১৯২ মেট্রিকটন চাল, কেশবপুর পৌরসভায় ২ হাজার ৪শ কার্ডে বিক্রি হবে ৪৮ মেট্রিকটন চাল, মণিরামপুর পৌরসভায় ২ হাজার ৪শ কার্ডে বিক্রি হবে ৪৮ মেট্রিকটন চাল, নওয়াপাড়া পৌরসভায় ২ হাজার ৪শ কার্ডে বিক্রি হবে ৪৮ মেট্রিকটন চাল, বেনাপোল পৌরসভায় ২ হাজার ৪শ কার্ডে বিক্রি হবে ৪৮ মেট্রিকটন চাল,বাঘারপাড়া পৌরসভায় ১ হাজার ৮শ কার্ডে বিক্রি হবে ৩৬ মেট্রিকটন চাল, চৌগাছা পৌরসভায় ১ হাজার ৮শ কার্ডে বিক্রি হবে ৩৬ মেট্রিকটন চাল,ঝিকরগাছা পৌরসভায় ১ হাজার ৮শ কার্ডে বিক্রি হবে ৩৬ মেট্রিকটন চাল।

এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা লিয়াকত আলী জানান,ঢাকার খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের চিঠির  ৩০ জুন পর্যন্ত বিশেষ ওএমএস কার্ডে চাল বিক্রির সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। সেখান থেকে পরে যদি সময় বাড়িয়ে আমাদের কাছে চিঠি আসে তাহলে সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ কার্ডে যাতে করে সঠিক ভাবে চাল বিক্রি করে ডিলাররা। সেদিকে তদারকি করা হবে। কোনো ডিলার অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।