করোনার থাবা: যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের পরিবর্তে জামাত হবে কালেক্টরেট মসজিদে


মিরাজুল কবীর টিটো:
করোনা ভাইরাসের কারণে যশোরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এবার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। ঈদগাহের পরিবর্তে কালেক্টরেট মসজিদে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮ টায়।
নামাজে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মুখে মাস্ক পরা থাকলে জায়নামাজ ছাড়াও মসজিদে উপস্থিত হওয়া যাবে বলে জানান যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১৬টি মসজিদে এবার ২৫টি ঈদের জামাত নির্ধারণ করেছে। এর বাইরে অন্যান্য মসজিদ সুবিধামতো সময় নির্ধারণ করবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
নির্ধারিত জামাত হবে যশোর কালেক্টরেট জামে মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায়, জজকোর্ট জামে মসজিদে সকাল ৮টা ও ৮টা ৪০ মিনিটে, কারবালা জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা ও সাড়ে ৯টায়, দড়াটানা জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়, খুলনা বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, পিটিআই জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, এমএম কলেজ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায়, ওয়াপদা কলোনী জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, সদর হাসপাতাল জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়, পণ্ডিত পুকুর জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, রেলস্টেশন মাদ্রাসা জামে মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায়, রেলগেট জামে মসজিদে সকাল ৭টা, সাড়ে ৭টা ও ৮টায়, শংকরপুর গোলপাতা শাহী জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, মসজিদুল আকসা জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়, কিসমত নওয়াপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় এবং আমিনিয়া আলিয়া মাদ্রাসায় তিনটি জামাত হবে সকাল ৭টা, ৮টা ও ৯টায়। এ ছাড়া বেজপাড়া আজিমাবাদ জামে মসজিদে প্রথম নামাজ সকাল সাড়ে ৭ টায়, ঘোপ কবরস্থান মসজিদে প্রথম নামাজ সকাল ৮টায়, ঘোপ সেন্ট্রাল রোড স্টাফ কোয়ার্টার মসজিদে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় নামাজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে দ্বিতীয় নামাজ সকাল ৮টায়, উপশহর এ ব্লক, বি ব্লক, ডি ব্লক জামে মসজিদে প্রথম ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়, উপশহর মার্কাজ মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা ইমাম পরিষদের প্রচার সম্পাদক মুফতি আমানুল্লাহ জানান, যশোর শহর ও শহরতলির ২ শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৯ টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরো জানান প্রতিটি মসজিদে মসজিদ কমিটি নামাজের সময় সূচি নির্ধারণ করেছেন। তবে প্রতিটি মহল্লার মসজিদে তিনবার জামাতের সময় সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। দুইবার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। যদি মসজিদে মুসল্লিরা উপস্থিত হয় সেই ক্ষেত্রে তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তা না হলে হবে না।