পশুর নদীর ভাঙ্গন এলাকা ডিসির পরিদর্শন

মোঃএরশাদ হোসেন রনি,মোংলা: পশুর নদীর ভাঙ্গনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।  এর আগে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। পুনরায়  আবার সবাইকে নিয়ে পরিদর্শন করলাম। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ সহায়তাও দেয়া হবে।

মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশিদ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ মোংলার পশুর নদীর ভাঙ্গন কবলিত কানাইনগর ও দক্ষিণ কাইনমারি গ্রাম পরিদর্শকালে গণমাধ্যমের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসী এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলেন।  ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জয়মনি থেকে বিদ্যারবাহন পর্যন্ত ১০ গ্রামে প্রায় ২০ কিলোমিটার জুড়ে পশুর নদীর ভাঙ্গনে অন্তত ২০ হাজার মানুষ ঘূর্ণিঝড়ে জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান, মোংলা নৌ কন্টিনজেন্টথর লেঃ কমান্ডার আরিফুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নাহিদুজ্জামান, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।