করোনায় দেশে আরও ২২ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত দেড় হাজার রোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক : একদিনে আরও ২২ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নতুন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৪৪ জন।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৫৪১ জনের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার ২৯২ জন হয়েছে।

সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৪৬ জন। সব মিলয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৯২৫ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বুধবার দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, গত একদিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের মধ্যে ৫ জন ঢাকা মহানগরীর এবং ৩ জন মহানগরীর বাইরে ঢাকা জেলার বসিন্দা ছিলেন।

এছাড়া ১ জন মুন্সিগঞ্জে, ১ জন নরসিংদীর, ২ জন চট্টগ্রাম জেলার, ৩ জন নোয়াখালীর, ২ জন কুমিল্লার, ১ জন কক্সবাজারের, ২ জন চাঁদপুরের, ১ জন সিলেটের, ১ জন মৌলভীবাজারের বাসিন্দা ছিলেন।

এই ২২ জনের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী একটি শিশুও রয়েছে। বাকিদের মধ্যে একজনের বয়স ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে, ৭ জনের বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, ৭ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ২ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ২ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এবং ২ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।

নাসিমা সুলতানা বলেন, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৭০ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪২ শতাংশ।

বুলেটিনে জানানো হয়, গত এক দিনে দেশের ৪৮টি ল্যাবে ৮ হাজার ১৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই সময়ে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ২৮১ জনকে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৯৯৪ জনকে আইসোলশেন নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, মাতৃদুগ্ধ পানে সন্তানের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়ায় না। তবে মায়েদের মাস্ক পরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে শিশুদের স্তন দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

যাদের দীর্ঘমেয়াদী রোগ রয়েছে, তাদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিশেষ যত্ন নিতে পরিবারের সদস্যদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।

পাশাপাশি কোভিড-১৯ রোগী ও সুস্থ সবাইকে মানসিকভাবে উজ্জ্বীবিত থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “তা হবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর মাপকাঠি।”