‘ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ টেকসই করতে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প’

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক : ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ টেকসই করার লক্ষ্যে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

তিনি বলেন, বাঁধ মেরামত কাজ দ্রুততায়নের জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। কিন্ত বৈশ্বিক জলবায়ুগত পরিবর্তনে দুর্যোগ এখন নিয়মিত হচ্ছে। তাই আমরা টেকসই সমাধানকল্পে কাজ করে যাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাড়াদ্দাহ, শ্যামনগরের তাতিনাখালী, কামালখাটি, আশাশুনি উপজেলার হাজরাখালী, দয়ালঘাট, পদ্মপুকুর ও খুলনার কয়রা উপজেলার মদিনাবাদ এলাকা স্পিডবোটে করে পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা জানান।

এর আগে গত বুধবার (২৭ মে) প্রতিমন্ত্রী পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া, ভোলামারা, দক্ষিণ বড়মাছুয়া ও খেজুরবাড়িয়া পরিদর্শন করেন।

জাহিদ ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিভাবে সফল। তাই জনবান্ধব প্রকল্প হাতে নিতে পারছি যাতে আগামীতে এমন জনদুর্ভোগ না হয়।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাত হানার সঙ্গে সঙ্গে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে এবং পানি সম্পদ সচিব সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আজ আমি নিজে এসেছি সরাসরি পরিদর্শনে কোথায় কী প্রতিবন্ধকতা তা নিরূপণ করতে।

এ সময় সাতক্ষীরার-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (বাপাউবো) হাবীবুর রহমান, উপসচিব নুর আলম, জেলা প্রশাসক (সাতক্ষীরা) এস এম মোস্তফা কামাল, প্রধান প্রকৌশলী (খুলনা) রফিক উল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী (সাতক্ষীরা) আবুল খায়ের, শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু জার গিফারী, আশাশুনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ বি এম মোস্তাকিম, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফ রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খুলনার কয়রা, দাকোপ এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় আনুমানিক ১৭০ জায়গায় প্রায় ৯৯টি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধুমাত্র উপকূলাঞ্চলের সমস্যা নিরসনের জন্য মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প আছে যা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আছে।