সুন্দরবনে ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মাছ আহরণ বন্ধ

বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি : ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড সুন্দরবনে আজ ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাস সব নদ-নদী ও খালে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বন বিভাগ। এই দুই মাস মাছের প্রজনন মৌসুম থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন বিভাগ। এ জন্য ২৪ জুন থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য সব পাশ ও পারমিট দেয়া বন্ধ রেখেছে বন বিভাগ। এর আগে গেল বছরও এই দুই মাস সুন্দরবনে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্লানসের (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবন বন বিভাগ এই বনে প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত গোট সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হয়।

সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে জলভাগের পরিমাণ ১৮শ’ ৭৪. ১ বর্গকিলোমিটার। যা সমগ্র সুন্দরবনের আয়তনের ৩১. ১৫ ভাগ। সুন্দরবনের জলভাগকে বলা হয় মৎস্য সম্পদের ভান্ডার। সুন্দরবনের জলভাগে ২১০ প্রজাতির সাদামাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি, ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া, ৪৩ প্রজাতির মালাস্কা ও ১ প্রজাতির লবস্টার পাওয়া যায়। জুলাই -আগস্ট মাছের এই দুই মাস প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনের নদী খালে থাকা বেশির ভাগ মাছের ডিম থেকে জন্ম নিয়ে থাকে। যার ফলে এ সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকলে সুন্দরবনের নদী খালে যেমন মাছ বৃদ্ধি পাবে, তেমনি অন্যান্য প্রাণি, উদ্ভিদসহ সব জীবের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানা গেছে।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস এর (আইআরএমপি) (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবন বন বিভাগ প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত গোট সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। এবারও ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সমগ্র সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকবে। এই দুই মাস সুন্দরবনের নদী খালে থাকা বেশির ভাগ মাছের প্রজনন মৌসুম। যার ফলে এ সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকলে সুন্দরবনের নদী খালে যেমন মাছ বৃদ্ধি পাবে।