৩ দিন পর যবিপ্রবিতে ফের নমুনা পরীক্ষা শুরু

বিল্লাল হোসেন : করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া যশোর শহরের বেজপাড়া বনানী রোড এলাকার বাসিন্দা তাপস সাহার স্ত্রী অনিন্দিতা (৪৯) ও ছোট ভাই আশিষ সাহা (৪০)  করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রোববার রাতে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালের (খুমেক) ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাদের ফলাফল করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এদিকে তিন দিন বন্ধ থাকার পর সোমবার রাত থেকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারে ফের কোভিড-১৯ শনাক্ত পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে।

যশোর সিভিল সার্জন অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা ডা.রেহেনওয়াজ জানান, গত ১ জুলাই বড়বাজারের একটি মুদি দোকানি তাপস সাহার করোনা শনাক্ত হয়। ৫ জুলাই সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে মারা যান তিনি। তার সংস্পর্শে থাকায় স্ত্রী অনিন্দিতা ও ছোট ভাই আশিষ সাহার নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করেন খুমেক কর্তৃপক্ষ। ফলাফলে তাদের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। বর্তমানে আক্রান্তরা হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। ডা. রেহেনেওয়াজ আরো জানান, সোমবার যশোর জেলায় নতুন করে ৪২ জনের করোনামুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই নিয়ে জেলায় মোট ২৯৫ জন সুস্থ হলেন।

যবিপ্রবির জেনোম সেন্টারে সহকারী পরিচালক ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদ জানিয়েছেন, ল্যাবে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার উন্নতিকরণ কাজ শেষ হয়েছে। একই সাথে ল্যাব জীবাণুমুক্ত ও  পিসি মেশিনের শক্তির পরিমাপ নির্ণয় করা হয়। এই কাজের জন্য গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত করোনা সন্দিগ্ধ রোগীদের নমুনা পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছিলো। সোমবার রাত থেকে ফের  নমুনা পরীক্ষার কাজ শুরু করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য এদিন মোট ২৩১ জনের নমুনা জমা পড়েছে। বুধবার সকাল থেকে যথারীতি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, যবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ এক মেইল বার্তায় নমুনা পাঠানোর জন্য বলে। সেই অনুয়ায়ী ১২১ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য যবিপ্রবি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।