ব্যক্তিগত বাহনের চলাচল বাড়ছে

মিরাজুল কবীর টিটো : করোনার ভাইরাসের সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় গণপরিবহনে মানুষের চলাচল কমে গেছে। নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে নিজস্ব পরিবহনে এখন যাতায়াত করছে সাধারণ মানুষ। শহরের রাস্তায় ছোট ছোট যানবহনের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যানজট লেগেই থাকছে সর্বক্ষণ।

ঈগল পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার সোহাগ ইসলাম ইসলাম জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে সরকারি নিয়মে ২০ যাত্রী নিয়ে পরিবহন চলাচল করার কথা কিন্তু প্রতি ট্রিপে ৮ থেকে ১০ জনের বেশি যাত্রী হচ্ছে না। আগের তুলনায় পরিবহনে যাত্রী অনেক কমে গেছে। করোনার ভয়ে অনেক মানুষ প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছে না। আবার অনেকে শহর ও শহরের বাইরে গেল নিজস্ব প্রাইভেটকার বা মাইক্রোবাসে চলাচল করছে। আবার অনেকে নিজস্ব মোটর সাইকেলে করে মুখে মাস্ক ও মাথায় হেলমেট পরে নিরাপদে চলাচল করার চেষ্টা করছে। এসব কারণে পরিবহনে যাত্রী চলাচল কমে গেছে। একই কথা জানান শ্যামলী পরিবহনের সুপারভাইজার আব্দুল্লাহ, দ্রুতি পরিবহনের আমিরুল ইসলাম। তারা দুইজন জানান, করোনার কারণে মানুষ শহরের বাইরে যাওয়া  কমিয়ে দিয়েছে। এটাও পরিবহনে যাত্রী কমে যাওয়ার কারন হতে পারে।

আজমল হোসেন নামে এক সরকারি কর্মকর্তা জানান করোনা আগে যশোর শহরের বাইরে গেলে পরিবহনে করে যেতাম। কিন্তু  করোনা ভাইরাসের সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করছি। এ কারণে পরিবহনে চলাচল করা বন্ধ করে দিয়েছি। দুরে গেলে নিজস্ব গাড়িতে আসা যাওয়া করছি। কাজী রুমি নামে এক ব্যবসায়ী জানান করোনা থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য নিজস্ব প্রাইভেটকারে করে চলাচল করছি। শহর বা শহরে বাইরে যাই না কেন তাতে চলাচল করছি।

যশোর ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর সাখাওয়াত হোসেন জানান, করোনার সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় মানুষ নিজস্ব পরিবহনে চলাচল করছে। এর পাশাপাশি ইজিবাইকে ও চলাচল করছে। ছয়জন যাত্রীর পরিবর্তে এখন তিনজন যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে ইজিবাইক। অনেকে মোটরসাইকেলেও চলাচল করছে। এজন্য শহরে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের সংখ্যা বেড়েছে। সেই সাথে যানজটও একটু বেড়েছে। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের সংখ্যাও বাড়িয়ে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।