মসলার বাজার গরম : শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত  মুদি দোকানে

মুর্শিদুল আজিম হিরু : আগামিকাল ঈদুল আজহা। শেষ মুহূর্তের কেনা-বেচায় ব্যস্ত ক্রেতা বিক্রেতারা। ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের প্রথম চাহিদা গরম মসলা। বাজারে মসলার দাম বেশ চড়া। অপরিবর্তিত আছে শাক-সবজি, চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ-রসুন মরিচের দাম। বৃহস্পতিবার যশোর শহরের বড় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

শনিবার ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহায় মসলার চাহিদা প্রচুর। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা। যশোর শহরের বড় বাজারের মুদি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এবারের ঈদুল আজহায় বাজারে মসলার সরবরাহ প্রচুর। দাম আগের মত আছে। আমদানি নির্ভর এ পণ্যের দাম সব সময় উঠা নামা করে। মসলার পাইকারি দামের চেয়ে খুচরা দামের ব্যবধানটা বেশি। খুচরা দোকানে প্রতি ১শ’ গ্রাম এলাচ বিক্রি হয় ৩শ’ টাকা থেকে ৩শ’৮০ টাকা। ১শ’ টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা বিক্রি হয় প্রতি ১শ’ গ্রাম লবঙ্গ। প্রতি ১শ’ গ্রাম দারুচিনি বিক্রি হয় ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হয় প্রতি ১শ’ গ্রাম জিরে। প্রতি ১শ’ গ্রাম কিচমিচ বিক্রি হয় ৪০টাকা। প্রতি কেজি দেশি-বিদেশি আদা বিক্রি হয় ১৮০ টাকা থেকে ২৪০ টাকা। ৮০ টাকা বিক্রি হয় ১শ’ গ্রাম গোল মরিচ।

বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ৬০ টাকা। ২শ’৮০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় শুকনো মরিচ। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি পেঁয়াজ। ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমাদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ১শ’ টাকা। আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয় ১শ’৪০ টাকা থেকে ৮০ টাকা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ২৮ টাকা থেকে ৩০ টাকা।

বাজারে শাক-সবজির দাম কিছুটা নি¤œমুখি। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতি কেজি কুশি বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় করোলা উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাক। ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঝিঙে। প্রতি কেজি কাঁররোল বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ওল।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৯০ টাকা। ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।

বাজারে অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’১০ টাকা। ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মুসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’১০ টাকা থেকে ১শ’ ২০ টাকা। ৭০ টাকা ৭৫ কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে চালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা। ৫৬ টাকা থেকে ৫৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি বাশমতি চাল। প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হয় ৪৫ টাকা থেকে ৪৭ টাকা। ৪৬ টাকা থেকে ৪৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় কাজললতা চাল। ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।