প্রেমের বিয়ের ১১ বছর পর শ্বশুর বাড়িতে যেয়ে বিপাকে এক বধূ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ৯ বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে যেয়ে বিপাকে পড়েছেন স্ত্রী। প্রেমের বিয়ে হওয়ায় স্বামীর বাড়ির লোকজন বধূ রোকসানা খাতুনকে ফেলে রেখে পালিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার থেকে অবস্থান করছেন রোকসানা খাতুন।

২০০৯ সালে সদর উপজেলার ডাকবাংলা উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের মৃত খাদিমুলের ছেলে মেহেদী হাসান বাবুর সাথে ডাকবাংলা বাজারের মৃত এহেসানুল হক এর মেয়ে রোকসানা খাতুনের বিয়ে হয়। স্ত্রী রোকসানা অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে আমরা প্রেমকরে করে বিবাহ করেছি। বিবাহের পর আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেনে না নেয়ায় আমরা ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকায় ভাড়া বাসায় সংসার শুরু করি। পরে একটি কন্যা সন্তান জন্ম লাভ করে। তার বয়স এখন ৯ বছর।   কিছুদিন আগে থেকে স্বামী আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। উপায় না পেয়ে আমি আমার স্বামীর বাড়িতে যাই। তারা সন্তানসহ আমাকে আটকিয়ে রাখে। খবর পেয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই  বাড়িতে যেয়ে আমাকে তাদের কাছে বুঝিয়ে রেখে আসে। এ ঘটনায় বুধবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিচার শালিসের দিন ধার্য ছিল উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে।

তবে এরই মধ্যে আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমার এবং সন্তানকে ফেলে রেখে বাড়ি থেকে সরে পড়েছে। বর্তমান আমি ওই বাড়িতে সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি।