মণিরামপুরে অবৈধ ৫ হাসপাতাল  ডায়াগনস্টিকে সিভিল সার্জন

বিল্লাল হোসেন : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার অবৈধ ৫টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়নের জন্য ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন। বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনে গিয়ে সিভিল সার্জন এই আল্টিমেটাম দেন। এরআগে মণিরামপুরের আরো ৪টি অবৈধ হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য বিভাগ।

সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, সময় বেধে দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মনোয়ার ক্লিনিক, ল্যাব সাদ মেডিকেল সার্ভিসেস, দ্যা প্যাথ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডক্টরস ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মেডিকো ডায়াগনস্টিক সেন্টার। সিভিল সার্জন জানান, কয়েক বছর আগে এই ৫টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মালিকপক্ষ লাইসেন্স নবায়নের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন। কিন্তু নানা কারণে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এখনো অনুমোদন মেলেনি। কিন্তু অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।  বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। এসময় ৫টি প্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়ম ও নোংরা পরিবেশ দেখা যায়। হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষ মানসম্মত না। পোস্ট অপরেটিভ কক্ষ নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেবিকা ও অন্যান্য জনবল সংকট। ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে রয়েছে নানা অনিয়ম। পরিদর্শনের চিত্র স্বাস্থ্য অধিদফতরকে জানানো হবে। সিভিল সার্জন আরো জানান, ২৩ আগস্টের মধ্যে কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স নবায়নে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হবে। পরিদর্শনের সময়সিভিল সার্জনের সাথে ছিলেন মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ ও সিভিল সার্জন অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান।

উল্লেখ্য,এরআগে গত ২৭ জুলাই সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি যশোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. মীর আবু মাউদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মনিরামপুর উপজেলার ৪ টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। সেগুলো হলো মুন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার (হাসপাতাল মোড় শাখা), নিউ প্রগতি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মুন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার (কুয়াদা শাখা)।