বঙ্গবন্ধু আছে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের অন্তরে : শেখ আফিল উদ্দিন এমপি

শেখ কাজিম উদ্দিন, বেনাপোল : যশোর-১ ( শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন। এজন্য তিনি জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানি হায়েনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। পরাধীনতার শিকল ছিঁড়ে দুখিনী বাঙালি জাতির জন্য ছিনিয়ে এনেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র। সবে মাত্র শুরু করেছিলেন তলা বিহীন ঝুড়ির ন্যায় বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। কিন্তু পাকিস্তানি হায়েনাদের রেখে যাওয়া কিছু প্রেতাত্মা বঙ্গবন্ধুর হাঁটি হাঁটি পা পা করে উঠে দাঁড়ানোর স্বপ্নকে মেনে নিতে পারেনি। তাই তারা বাঙালি জাতিকে চিরতরে অন্ধকারে রাখার জন্য ১৯৭৫ সালের ১৫-ই আগস্ট নির্মমভাবে বুলেটের আঘাতে হত্যা করেছিলো জাতির জনককে। সেদিনের সেকি নির্মম ইতিহাস। তারা কেবল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। একে একে হত্যা করেছিল বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী মহিয়সী নারী ফজিলাতুন্নেছাসহ তাঁর পরিবারের ১৬ সদস্যকে।

শনিবার সকাল ৯ টায় শার্শা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে একথা বলেন তিনি।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূলক কুমার মন্ডল সভায় সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির দুর্ভিক্ষ সহ্য করতে না পেরে নিজ জীবনের ঝুকি নিয়ে সকল শত্রু মোকাবেলা করেছিলেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে পরাধীনতার সিকল থেকে মুক্ত করে জন্ম দিয়েছিলেন স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ। তাই পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা সম্ভব নয়। সেদিন যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তারা আজ দেখে যাক বঙ্গবন্ধু আছে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের অন্তরে।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি রাসনা শারমিন মিথি, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি বদরুল আলম খান, বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মামুন খান, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ সালেহ আহমেদ মিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক ও যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ-উদ-দৌলা অলোক, শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ওয়াহিদুজ্জামান অহিদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর হোসেন, ডেপুটি কমান্ডার নাসির উদ্দিন ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু।

আরো উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লাল্টু মিয়া, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, সমবায় কর্মকর্তা আক্কাস আলীসহ উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

পরে, শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শার্শা, বেনাপোল ও পুটখালী ইউনিয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগদান করেন শেখ আফিল উদ্দিন এমপি। বঙ্গবন্ধুর স্বল্প দৈর্ঘ ঐতিহাসিক জীবনী নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালায় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ এনামুল হক মুকুল, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নাসির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান ঘেনা, শার্শা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য অহিদুজ্জামান অহিদ, সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, সদর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মোরাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সরদার, সাধারণ সম্পাদক ইকবল হোসেন রাসেল, বেনাপোল ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ বজলুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহাজ্জেল হোসন, সাধারণ সম্পাক সাহিদুজ্জামান শহীদ, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, লক্ষণপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আযাদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, ডিহি ইউপি চেয়াম্যান হোসেন আলী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, উলাশী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আয়নাল হক, বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আযাদ, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ ইলিয়াস কবির বকুল, কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহমেদ টিংকু, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, গোগা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, পুটখালী ইউপি চেয়ারম্যান হাদিউজ্জামান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনসহ স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দ।