ঘিবায় ১৪৪ ধারা অমান্য করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরের শার্শা উপজেলার ঘিবায় ১৪৪ ধারা অমান্য করে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অন্যের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে সাইনবোর্ড টানানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীর আশঙ্কা যে কোনো সময় নজরুল ইসলাম প্রভাব খাটিয়ে ওই জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে পারে।
৪ নম্বর ঘিবা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে সবুর হোসেন জানান, গ্রামের মেইন রাস্তার গাঁ ঘেষে আমার ১৪ শতক জমি রয়েছে। পৈত্রিক সূত্রে আমি ওই জমির মালিক। আমি বিগত দিনে ওই জমি বন্ধক রেখে সিটি ব্যাংক বেনাপোল শাখা থেকে ঋণ নিয়েছি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে আমাকে ঋণ দিয়েছেন। সবুর হোসেন জানান, গত মাস থেকে আমার জমির ওপর কুনজর পড়েছে ঘিবা গ্রামের (বর্তমানে ধান্যখোলা গ্রামের বাসিন্দা) আলতাফ আলীর ছেলে নজরুল ইসলামের। তিনি কৌশলে আমার চাচার কাছ থেকে সাড়ে ৯ শতক জমি ক্রয় করার পর আমার ১৪ শতক জমি দখেেলর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। নজরুল ইসলামের ক্রয় করা অংশ আমার জমির পিছনে। অথচ তিনি সামনে থেকে আমার জমি দখল করার যড়যন্ত্র করে আসছিলেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে আমি বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি। কিন্তু দুই পক্ষকে ডেকে আলোচনায় বসেন। আলোচনায় আমার জমির কাগজপত্র সঠিক হয়। কিন্তু নজরুল ইসলাম বেকে বসার কারণে পুলিশ বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারেনি। পরে নজরুল ইসলাম এলাকায় ঘোষণা দেন ওই জমি যে কোনো মূল্যে দখল করে নেবেন। সবুর হোসেন আরও জানান, ঈদুল আজহার আগে ১৪৪ ধারা জারি করার জন্য আমি যশোর আদালতে আবেদন করি। আদালত ১৪৪ জারি করেছে। বর্তমানে নজরুল ইসলাম ১৪৪ ধারা অমান্য করে আমার জমি দখল করে নিজের বলে সাইনবোর্ড টানিয়েছে। তিনি প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তার দখলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছিনা। সবুর হোসেন জানান, অবৈধভাবে জমি দখলের পর নজুরুল ইসলাম আমার মামলার দুই জন সাক্ষী ইব্রাহিম ও হোসেন আলীকে দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে। তাদেরকে বলা হয়েছে জমি দখলের ঘটনার সাক্ষী না দেয়ার জন্য। ভূমিদস্য নজরুল ইসলামের দখল করা জমি ফিরে ফিতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সবুর হোসেনের পরিবার।