যশোর সখিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পুলিশ লাইন স্কুলের ঈর্ষণীয় সাফল্য


মিরাজুলকবীর টিটো:
যশোর শিক্ষা বোর্ডের ২০২০ সালের এসএসসির মেধা তালিকার ভিত্তিতে বৃত্তি ফলাফলে ঈর্ষান্বিয় সাফল্য অর্জন করেছে যশোর সখিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা । এছাড়া যশোরের বাকি নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভাল সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে এমনই তথ্য জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে ২০২০ সালের এসএসসির মেধা তালিকার ভিত্তিতে বৃত্তি ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বৃত্তির ফলাফল পেয়েছে। মেধা তালিকায় বৃত্তি পেয়েছে সখিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০ ছাত্রী। এর মধ্যে ১০ জন ট্যালেন্টপুলে ও ১০ জন সাধারণ গ্রেডে। যশোর পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩৩ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। ১৩ জন ট্যালেন্টপুলে ও ২০জন সাধারণ গ্রেডে। সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৭ ছাত্রী বৃত্তি পেয়েছে। ট্যালেন্টপুলে ৩ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১৪ জন। যশোর জিলা স্কুলে বৃত্তি পেয়েছে ১২ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১ জন ট্যালেন্টপুলে ও ১১ জন সাধারণ গ্রেডে।
এছাড়া যশোর শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজে বৃত্তি পেয়েছে ৫ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪জন। ঝিকরগাছা সরকারি এমএল মডেল হাইস্কুলে বৃত্তি পেয়েছে ৫ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪জন। মিউনিসিপ্যাল প্রিপারেটরী স্কুলে ২ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১জন ও সাধারণ গ্রেডে ১জন, এমএসটিপি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে সাধারণ গ্রেডে ৫জন,বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১জন,নিউটাউন বালিকা বিদ্যালয়ের ১জন,নিউটাউন বাদশাহ ফয়সল স্কুলে ২জন, সম্মিলনী ইন্সটিটিউশনে ২ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তির ফলাফলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা সন্তোষ্ট হয়েছেন।
সখিনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা ছবি জানান, শিক্ষক,অভিভাবক,শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিবছর এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ছাত্রীরা ঈর্ষান্বিয় সাফল্য অর্জন করে। সেই ধারাবাহিকতায় এসএসসির মেধা বৃত্তিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এমএসটিপি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খায়রুল আনাম বলেন আমাদের বিদ্যালয়ের যে ধরনের মেয়েরা লেখাপড়া করে সেই তুলনায় বৃত্তির ফলাফলে সন্তোষ্ট। অন্য স্কুলে বাছাই করে ছাত্রছাত্রী ভর্তি নেয়া হয় সেসব স্কুলে বৃত্তির ফলাফলতো ভাল হবে। একই কথা জানান নিউটাউন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরাইরা শিরিন।