৬০ সিনিয়র শিক্ষক পাচ্ছেন  প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোরের সাত উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদের ভিত্তি ৬০ জন সিনিয়র শিক্ষক পাবেন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব। বৃহস্পতিবার অনুমোদনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে তাদের তালিকা পাঠানো হয়েছে। তালিকা অনুমোদন হয়ে আসলে তাদের ওই পদের দায়িত্ব দেয়া হবে বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম। অন্যদিকে হাইকোর্টে রিট থাকায় পূর্বে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনকারী ২৮শিক্ষক  সিনিয়র শিক্ষক পদেই থাকছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, জেলার সাত উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে   প্রধান শিক্ষকের ৮৮পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদের ভিত্তিতে ৮৮ পদের মধ্যে ৬০ পদে বিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষকদের পদন্নোতি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পাঠানো তালিকা প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়ে আসলে তাদেরকে এ দায়িত্ব দেয়া হবে। ৬০ প্রধান শিক্ষকের মধ্যে কেশবপুরে ১১ পদের মধ্যে ৩, বাঘারপাড়ায় ১১ পদের মধ্যে ৯, চৌগাছায় ১১ পদের মধ্যে ৬টি শার্শায় ১৪ পদের মধ্যে ১২, ঝিকরগাছায় ১২ পদের মধ্যে ৮, অভয়গরে ৯টি পদের মধ্যে ৮ ও মণিরামপুরে ২০ পদের মধ্যে ১৪জন সিনিয়র  শিক্ষক পাবে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব। এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান সহকারী রফিকুল  ইসলাম জানান, ২০০৮ সালের আগে যে সব শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন ওই সময় গেজেড না হওয়ায় ওই পদে তাদের স্থায়ী করণ হয়নি। এ কারণে তারা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব স্থায়ী করার দাবিতে  আদালতে রিট করেন। সে কারণে ওই ২৮টি পদে কোন শিক্ষককে প্রধান  শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হবে না। ফলে এরমধ্যে কেশবপুরে-৫টি, বাঘারপাড়ায়-২টি, চৌগাছায়-৫টি, শার্শায়-২, ঝিকরগাছায়-৪টি,  অভয়গরে-১টি ও মণিরামপুরে-৬টি পদে কোনো শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে  জেলা প্রাথমিক শিক্ষক অফিসার শেখ অহিদুল আলম জানান, শূন্য পদের ভিত্তিতে সিনিয়র শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হবে। সে তালিকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তালিকা এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে অনুমোদন হয়ে আসলে তাদের  প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্বে বসানো হবে। তবে যে ২৮ টি পদে মামলা রয়েছে তা নিষ্পত্তি হওয়ার পর ওই পদের বিষয় বিবেচনা করা হবে।