সেপ্টেম্বরের প্রথম দশ দিনে ৯২২ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি মাসের প্রথম দশ দিনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স লাফিয়ে বাড়ার রেকর্ড গড়েছে, প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ৯২২ মিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭২ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দশ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫৩৪ মিলিয়ন ডলার।

চলতি বছরের আগস্টের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৫৭২ মিলিয়ন ডলার। ১ থেকে ৯ জুলাই প্রবাসীরা দেশে ৭৪৬ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিল এবং পুরো মাসের রেমিট্যান্স এসেছে ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, যা একক মাসের হিসাবে সর্বোচ্চ ছিল।

চলতি বছরের আগস্টে এসেছে ১ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৪ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ছিল। গেলো অর্থবছরে এসেছে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স।

রেমিট্যান্সের উপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সম্প্রতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ বিলিয়ন ডলারে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি “ফিচ রেটিং ইনক” পূর্বাভাস দিয়েছে যে করোনারা ভাইরাস মহামারির কারণে এশিয়ার ৫ দেশ (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং ফিলিপাইনের) বার্ষিক রেমিট্যান্সের পরিমাণ গড়ে ১২ শতাংশ হ্রাস পাবে।

এর আগে বিশ্বব্যাংক ও এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক ২০ শতাংশ রেমিট্যান্স কমার পূর্ভাবাস দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩ দশক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, অপর দিকে ২০১৮ সালের মোট এসেছিল ১৮ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমরা আশা করছি কোভিড-১৯ ধীরে ধীরে দূর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে রেমিট্যান্স প্রবাহের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। বর্তমান প্রবাহ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের চার মাস শেষে ২০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে রেমিট্যান্স। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থবছরের হিসেবে রেমিট্যান্সের হিসাব করে থাকে।