পেঁয়াজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক :  কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়া বাংলাদেশে ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। এই সুযোগে কোনো সিন্ডিকেট যেন পেঁয়াজের দাম না বাড়িয়ে দেয় সেজন্য সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সাইফুল হক বলেন, যখন বলা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বন্ধুত্বের চরম শিখরে এবং ‘রক্তের সম্পর্কে বাঁধা’ তখন বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করা ভারতের অমানবিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ। কোনো সৎ ও বন্ধুপ্রতীম প্রতিবেশী হঠাৎ করে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে না। আসন্ন দুর্গাপূজা সামনে রেখে বাংলাদেশ যখন ভারতে ইলিশ রফতানির সুযোগ করে দিয়েছে, তখন এ ধরনের সিদ্ধান্ত বন্ধুত্বের নিদর্শন নয়।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করা বাংলাদেশের ওপর ভারতের চাপ সৃষ্টি করার কোনো কৌশল কি-না সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার। গত বছরও ভারত বাংলাদেশে আকস্মিকভাবে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে বড় কষ্টের মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। এবারও কোনো আভাস-ইঙ্গিত ছাড়া তারা একই কাজ করল, যা সহজে মেনে নেয়া যায় না।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের আমদানিকারকদের পেঁয়াজ ভর্তি অনেক ট্রাক-লরি সীমান্তের ওপারে আটকা আছে। এখানকার আমদানিকারকদের সাথে চুক্তি অনুযায়ী আরও পেঁয়াজ বাংলাদেশে ঢোকার কথা।

তিনি চুক্তিকৃত পেঁয়াজ রফতানিতে বাধা না দিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশে যে পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে তাতে আগামী পেঁয়াজ মওসুমের আগে পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। হিসাব করে খরচ করলে বিশাল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করারও প্রয়োজন হবে না।

তিনি ভারত কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের সুযোগ নিয়ে পেঁয়াজ সিন্ডিকেট যেন অস্বাভাবিক হারে দাম বাড়াতে না পারে সে ব্যাপারে শুরু থেকেই কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদনকারীদের সার্বিক সহযোগিতা দিতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।