আধুনিক শিক্ষাবান্ধব উপজেলা গড়তে চান হুমায়ুন কবীর কবু

মিরাজুল কবীর টিটো:
যশোর সদর উপজেলাকে উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষাবান্ধব উপজেলায় পরিণত করতে নির্বাচন করতে চান জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ও কুইন্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এসএম হুমায়ুন কবীর কবু। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে এ দায়িত্ব পালন করবেন। রাস্তা কালভার্ট উন্নয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে চান তিনি। স্পন্দনের সাথে সাক্ষাতকারে এসব সকথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন ‘আমার বাবা মৃত আজাদ হোসেনসহ চাচা, ফুফু, ভাইবোন সকলেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের সহযোগিতা অনুপ্রেরণায় আমিও বঙ্গবন্ধু আদর্শে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হই। ১০৮১ সালে থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। স্বৈরাশাসন বিরোধী আন্দ্লোনে ঢাকা ও যশোরের রাজপথে ছিলাম। ১৯৯২ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হই। ২০০৪ সালে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হই। সদ্য গঠিত কমিটি হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করি। ২০০১ সালে থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পদযাত্রাসহ সকল বড় বড় কর্মসূচির জন্য তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করি।
হুমায়ুন কবীর কবু বলেছেন ‘রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও শিক্ষা সংক্রান্ত কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছি। ২০১০ আমি যশোর চেম্বার অব কর্মাসের সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হই। চেম্বার অব কমার্স থেকে এফবিসিসিআইএর জিবি মেম্বার নির্বাচিত হই। পাশাপাশি প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি, ইট প্রস্তুত কারক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, যশোর ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, ঘোপ নওয়াপাড়া রোড জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, কারবালা মসজিদ নির্মাণ কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। এর পাশাপাশি ডাক্তার আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ ও এসএম সুলতান ফাইন আর্ট কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য ছিলাম। আমি করোনা ভাইরাসের সময় গরিব অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করি। বিভিন্ন গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছি। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে বাড়িতে ফ্রি অক্সিজেন সুবিধা দিয়ে যাচ্ছি। আমার কুইন্স হাসপাতাল থেকে অনেক মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে।
আমার সার্বিক কর্মকান্ড বিবেচনা করলে উপজেলা বাসি আমাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। আর যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে না পারি তারপরও এ ধরনের কর্মকান্ড করে যাবো।’