যশোর সদর উপজেলা উপনির্বাচন : নীরার মনোনয়নে অন্য পদ প্রত্যাশীরা খুশি, পক্ষে কাজ করার অঙ্গিকার

রিমন খাঁন : যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নূর জাহান ইসলাম নীরা মনোনীত হলেও পদ প্রত্যাশী অন্যরা দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। তারা এখন ২০ অক্টোবরের এ নির্বচনে দলীয় প্রার্থী নূর জাহান ইসলাম নীরার পক্ষে জোর প্রচারণা এবং সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করে যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশ নেয়ায় চেয়ারম্যান পদটি শূন্য ঘোষণা করা হলে ভাইস চেয়ারম্যান নূর জাহান ইসলাম নীরা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

উপনির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হায়দান গনি খাঁন পলাশ, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ,সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহামুদ হাসান বিপু, আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবীর কবু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুলসহ ২০ নেতা দলের পদ প্রত্যাশায় দলের কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডে আবেদন করেন।

২১ সেপ্টেম্বর দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রার্থী হিসেবে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভানেত্রী এবং পৌরসভার প্রাক্তন কমিশনার (কাউন্সিলার) প্রার্থী হিসেবে নূর জাহান ইসলাম নীরার নাম ঘোষণা করেন।

এবিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, নেত্রীর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। আমরা তাঁর সিদ্ধান্ত খুশি মনে মেনে নিয়েছি। এখন দলীয় প্রার্থী নূর জাহান ইসলাম নীরাকে নির্বাচিত করতে সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবো।

সহসভাপতি হায়দার গনি খাঁন পলাশ বলেন, এ মনোনয়ন নূর জাহান ইসলাম নীরার প্রাপ্য ছিল। আমি দারুণ খুশি এবং আওয়ামী লীগকর্মী হিসেবে নৌকার পক্ষে কাজ করবো।

সহসভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের প্রিয় নেত্রী তাঁর সিদ্ধান্ত আমি হাসি মনে মেনে নিয়েছি। এখন নীরাকে নির্বাচিত করতে নৌকা মার্কার পক্ষে সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামবো।

সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রাণ

প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে যাবো।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ করি। মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এখন আমরা সকলে নীরা আপাকে নির্বাচিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।

শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহামুদ হাসান বিপু বলেন, নেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাই। তিনি একজন নারী নেত্রী নূর জাহান ইসলাম নীরাকে যশোর সদর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে খুশি মনে তা মেনে নিয়েছি।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্ধেকের বেশি ভোটার নারী। সেখানে একজন নারীকে নেত্রী শেখ হাসিনা মূল্যায়ন করেছেন এটা আমাদের জন্যে গৌরবের বিষয়। তিনি বলেন, মানবতার মা শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আমরা নৌকার পক্ষে।

মেহেদী হাসান মিন্টু বলেন, প্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এই সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাই।

হুমায়ুন কবীর কবু বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার  সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। ২০ অক্টোবরের নির্বাচনে নূর জাহান ইসলাম নীরা তথা নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে জানপ্রাণ দিয়ে কাজ করে যাবো।