যশোর সদর উপজেলা উপনির্বাচন

মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে যশোর সদর উপজেলার নির্বাচনী লড়াইয়ে মুখোমুখি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থী। আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণা শুরু না হলেও নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে উপজেলা জুড়ে। কোন কোন প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের কাছে যাবেন তা ভাবতে শুরু করেছেন প্রার্থীরা। বিস্তারিত জানিয়েছেন মিরাজুল কবীর টিটো

ডিজিটাল স্মার্ট উপজেলা করার পরিকল্পনা নুর জাহান ইসলাম নীরার

আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নূরজাহান ইসলাম নীরা। তিনি বলছেন ভোটারদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিতে নয় বরং  তাদের দাবি, চাওয়া-পাওয়া ও আশা আকাঙ্খার  কথা শুনতে যাবেন। এ দায়িত্ব দিছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।

তবে তার নিজস্ব পরিকল্পনা নির্বাচিত হলে ডিজিটাল স্মার্ট উপজেলা গড়ে তুলবেন। সেখানে থাকবে ইউনিয়ন ডিজিটাল প্লাট ফর্ম। অধিকাংশ এলাকা হবে সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত, রোডে থাকবে সংকেত লাইট। সেগুলো আবার মরিটরিং করা হবে। উপজেলার বেকারদের জন্য লার্নিং কমিনিকেশনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিয়ে জন শক্তিতে পরিণত করা হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে এমন ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হবে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিদেশের শিক্ষার্থীদের সাথে জ্ঞান বিনিময় করতে পারে।

উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চান নুরুন্নবী

বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচন করছেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুন্নবী। দলীয় আন্দোলন ও ভোটে জিতার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বলে জানান। তিনি। জনগনের কাছে যাবেন। তারা যদি তাকে যোগ্য প্রার্থী মনে করেন তাহলে ভোট দেবেন। নির্বাচিত হলে উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন। তিনি বলেন ‘উপজেলা এমন একটি জায়গা যেখান থেকে উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন কাজ করা হয়। সেই জায়গা থেকে ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন কাজ করা হবে। এর চেয়ে বেশি কাজ করতে হলে আলোচনা করে করবো।’

তিনি বলেন ‘জনগণ ভোট দেয়ার জন্য কেন্দ্রে যেতে  প্রস্তুত আছে। নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত প্রচারণা চালানোসহ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইবো। আর যদি সুষ্ঠু ভোট হয় তাহলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী আমি।’