শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন অসম্ভব হতো

নিজস্ব প্রতিবেদক :  আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন বাঙালি চোখে দেখতো না।

শেখ হাসিনার জন্মদিন সামনে রেখে রোববার এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন আমু। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে জনগণের প্রতি আহ্বানও জানান আমির হোসেন আমু।

শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করে আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে যেমনি আমরা বাংলাদেশ পেতাম না, তেমনি শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়তো। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, তার রূপ কেমন ছিল, শেখ হাসিনার কাজের মাধ্যমে বাঙালি তা দেখতে পাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা শেখ হাসিনা নিজ যোগ্যতা বলে…ছাত্রীদের মধ্যে ছাত্রলীগের শক্তিশালী অবস্থান না থাকার পরেও বর্তমানে যা ইডেন কলেজ তার ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন আন্দোলন ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাবিরোধী আন্দোলনেও শেখ হাসিনার সক্রিয় অংশগ্রহণ অনুপ্রাণিত করেছিল ছাত্রসমাজকে।

আমু বলেন, দেশে ফিরিয়ে এনে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করার কারণে জিয়াউর রহমানের দলভাঙার ষড়যন্ত্র, হত্যা ও ক্যু-এর রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগকে রক্ষাসহ গণতান্ত্রিক অন্দোলনে আবার ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে দেশের জনগণ।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দৃঢ়তার কারণেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, জাতীয় চারনেতা হত্যার বিচার এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ উম্মুক্ত হয়েছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। নিজ যোগ্যতা, মেধা, মনন, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বের কারণে তিনি আজ শুধু বাংলাদেশের নয়, জননেত্রী থেকে পরিণত হয়েছেন বিশ্বনেতায়।

উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি তিনি। গত কয়েকবছর ধরে তিনি এইদিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও এবার করোনা মহামারি পরিস্থিতির কারণে দেশেই আছেন।

তিনি এ বছর ৭৫তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নিয়েছেন। উচ্চ পর্যায়ের এই ভার্চুয়াল অধিবেশনে তিনি রোহিঙ্গা সংকট ও সাশ্রয়ী মূল্যে কার্যকর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিশ্বব্যাপী সমবণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।