যুবলীগ কর্মী সোহাগ হত্যার দুই বছর আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক  : আজ যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগ হত্যার দুই বছর। দুই বছর  আগে ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া বোমা ও ছুরিকাঘাতে বাড়ির অদূরে মারা যান সোহাগ।

কিন্তু হত্যাকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত ইয়াছিন মোহাম্মদ কাজলসহ তিন আসামি আজো আটক হয়নি। সোহাগ যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়ার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

যুবলীগের মধ্যে নানা মতভেদের কারণে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধের জেরে একটি গ্রুপের সদস্যরা তাকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার পর পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের বড়ভাই ফেরদাউস হোসেন সোমরাজ কিলার হিসেবে আলোচিত ইয়াছিন মোহাম্মদ কাজলসহ কয়েকজনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মারুফ আহমদ। তদন্তকালে ডিবি পুলিশের হাতে আটক লিটন নামে এক আসামির আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘটনাস্থলে গাড়িতে বসে থেকে সোহাগকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ডিবি পুলিশ এক নেতাকে  ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে আটক করে। এরপর তদন্ত শেষে গত ২০ জুলাই ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

নিহতের ভাই ফেরদাউস হোসেন সোমরাজের অভিযোগ, ইয়াছিন মোহাম্মদ কাজলসহ কয়েকজন আসামি এখনো আটক হয়নি। তারা আটক না হওয়ায় তিনি প্রতিনিয়ত জীবনাশঙ্কায় ভুগছেন।