ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন নিয়ে  মাগুরা ও নড়াইলে ওরিয়েন্টেশন

স্পন্দন ডেস্ক  : ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন নিয়ে মাগুরা ও নড়াইলে বুধবার ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাগুরা: আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে মাগুরায় ১ লাখ ১২ হাজার ১২২ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বুধবার দুপুরে মাগুরা সিভিল সার্জন অফিস মিলনায়তনে আয়োজিত সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন সভায় এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডাক্তার প্রদীপ কুমার সাহা। ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়ষি শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওনো হবে।  একই সাথে ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন থেকে  শিশুদের ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ পান করানোর পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি ঘরে তৈরি পুষ্টি সমৃদ্ধ সুষম খাবর খাওয়ানোর বিষয়ে প্রচারণা চালানো হবে বলে জানানো হয়।

এ কর্মসূচি সফল করতে জেলার ১টি পৌরসভাসহ ৩৬টি ইউনিয়নের ৯৪১টি কেন্দ্রে ১১৮ জন সুপারভাইজার, ১ হাজার ৮৮২জন স্বেচ্ছাসেবক ও ২৯৪ জন মাঠ কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে।

সভায় সির্ভিল সার্জন ডাক্তার প্রদীপ কুমার সাহার  সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীম খান, সাংবাদিক অলোক বোস, আবু বাসার আখন্দ, রূপক আইসসহ অন্যান্যরা। সভায় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ অংশনেন।

নড়াইল : নড়াইলের তিনটি উপজেলায় ৯৪ হাজার ২৫৫ জন শিশুকে ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বুধবার দুপুরে সিভিল সার্জন অফিসের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডাক্তার আবদুল মোমেন।

আগামি ৪ অক্টোবর থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এবার ১৫দিনব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে।

কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার অনিন্দিতা ঘোষ, ডাক্তার শফিক তমাল, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা মোল্যা ফোরকান আলী, জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট হারাধন চন্দ্র মজুমদার, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবির টুকু, সাধারণ সম্পাদক শামীমূল ইসলাম টুল, সাবেক সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমকর্মীরা।

নড়াইলের সিভিল সার্জন ডাক্তার আবদুল মোমেন বলেন, ভিটামিন “এ” শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধই করে না, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা দুর করে। শিশু মৃত্যুর হার কমায়। শিশু মৃত্যুরোধে জন্মের পর নবজাতককে শুধুমাত্র মায়ের শালদুধ পান করানোর পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া শিশুর বয়স ছয়মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়াতে হবে।

কর্মশালায় আরো জানানো হয়, ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। মোট ৯৯২টি কেন্দ্রে এই দুই প্রকারের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।