কঠিন বিপদ সামলে লড়াকু পুঁজি রাজস্থানের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ১৬ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১০৬ রান। সেখান থেকে শেষ চার ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে যোগ হলো আরও ৪৮! স্লগে বোলিং ব্যর্থতা থেকে যেন বেরই হতে পারছে না বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। আবুধাবিতে একটা সময় কঠিন বিপদে পড়েও শেষতক ৬ উইকেটে ১৫৪ রানের লড়াকু পুঁজি পেয়েছে রাজস্থান রয়্যালস।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামার পর রাজস্থানকে উড়ন্ত সূচনাই দিয়েছিলেন জস বাটলার। ১৬ বলে ২৭ রানের উদ্বোধনী জুটিটি ভাঙে ইসুরু উদানার বলে স্টিভেন স্মিথ ৫ করে বোল্ড হলে।

পরের ওভারে ভয়ংকর বাটলারকে তুলে নেন নভদ্বীপ সাইনি। ১২ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় বাটলার করেন ২২ রান। রাজস্থানের বিপদ আরও বাড়ান ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল দুরন্ত ফিরতি ক্যাচে সঞ্জু স্যামসনকে ফিরিয়ে। ৩ বলে ৪ রান করেন স্যামসন, ৩১ রানে ৩ উইকেট হারায় রাজস্থান।

সেখান থেকে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেছেন রবিন উথাপ্পা আর মহীপাল লমরর। চতুর্থ উইকেটে ৩৬ বলে ৩৯ রান যোগ করেন তারা। তবে উথাপ্পা খুব একটা স্বচ্ছন্দ্য ছিলেন না, ধুঁকতে থাকা এই ব্যাটসম্যান ২২ বলে ১৭ করে চাহালকে তুলে মারতে গিয়ে উদানার ক্যাচ হন।

পঞ্চম উইকেটে রায়ান পরাগকে নিয়ে ৩৪ বলে ৩৫ রানের আরেকটি জুটি লমররের। এই জুটিতে আবার পরাগ তেমন স্বচ্ছন্দ্য ছিলেন না, ১৮ বলে ১৬ রান করে উদানার শিকার হন এই ব্যাটসম্যান।

একের পর এক সঙ্গী হারিয়ে ধৈর্য্যচুতি ঘটে লমররেরও। দারুণ খেলতে থাকা এই ব্যাটসম্যান ইনিংসের ১৭তম ওভারের প্রথম বলটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। চতুর্থ বলে তাকে ঠিকই তুলে নেন চাহাল। ৩৯ বলে ১ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৪৭ রানে লং অনে ক্যাচ হন লমরর।

১১৪ রানে ৬ উইকেট হারানো রাজস্থান শেষ পর্যন্ত রাহুল তেয়াতিয়া আর জোফরা আর্চারের ঝড়ে ১৫৪ রানে লড়াকু পুঁজি পেয়ে গেছে। তেয়াতিয়া ১২ বলে ৩ ছক্কায় ২৪ আর আর্চার ১০ বলে একটি করে চার ছক্কায় ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

ব্যাঙ্গালুরুর বোলারদের মধ্যে চাহাল ৩টি আর উদানা নিয়েছেন ২টি উইকেট।