যশোরে কলেজ শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়, নারী অভিযুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফ্ল্যাট ভাড়া দেয়ার কথা বলে যশোর সরকারি এমএম কলেজের শিক্ষার্থী রেজওয়ান হোসেন আকাশ ও তার বান্ধবী মহাসিনা আক্তারকে আটকে রেখে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও মারপিট মামলার চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত করা হয়েছে শার্শার শালকোনা গ্রামের মৃত ফুলসুদ্দিনের মেয়ে শিলা খাতুনকে। চার্জশিটে শিলাকে আটক দেখানো হয়েছে।

এরআগে শার্শা উপজেলার সাদিপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রেজওয়ান হোসেন আকাশ কোতয়ালি থানায় মামলা করেন।

মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি যশোর এমএম কলেজে লেখাপড়া করেন। আসামি শিলার সাথে তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়। শিলা যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের জোড়া বাড়ির বিপরীতে ফিরোজ খানের ৯৭০ নম্বর বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে একটি ফ্ল্যাট নিয়ে একাই বসবাস করেন।

শিলা খাতুনের ফ্ল্যাটের পাশের ফ্ল্যাট ভাড়া দেয়া হবে বলে জানালে আকাশ তার বান্ধবী মহাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল দশটায় ওই ভাড়াটিয়ার বাড়িতে যান। এরপর আকাশ ও মহাসিনাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের ডেকে এনে শিলা তাদের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আকাশ ও মহাসিনা আক্তারকে মারপিট করে। পরে আকাশ তার বন্ধুদের কাছে ফোনের মাধ্যমে শিলা খাতুনের মোবাইলের বিকাশ নম্বরে চাঁদা হিসেবে ৩৯ হাজার ৬০০ টাকা দেন। এরপর আকাশ ও তার বান্ধবীকে ছেড়ে দেয়া হলে বিষয়টি তারা পুলিশকে জানান। কোতয়ালি থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে শিলাকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।

পরে মামলাটি পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শহিদুল ইসলাম মামলাটির তদন্ত করে শিলার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।