যশোর সদরে নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন হামলায় জখম ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চলাকালীন প্রতিপক্ষের হামলায় ৬ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে গুরুতর আহত ৪ জন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তারা হলেন কাশিমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি নওদাগ্রামের মুরাদ আলী দফাদারের ছেলে শাহাজাহান আলী (৪৫), বসুন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাইদগাছি গ্রামের কাজী আব্দুল আজিজের ছেলে তৌফিক এলাহি টনি (২৮), মনজুরুল এলাহি মনি (২৫) ও রামনগর ইউনিয়নের সিরাজসিংহা গ্রামের তরফদার পাড়ার গোলাম রসুল তরফদারের ছেলে আতিয়ার রহমান (৪৫)। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

শাহাজাহান আলী জানান, সকাল ১০টার দিকে আমরা কয়েকজন নেতাকর্মী নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য মিরাপুর কেন্দ্রে যাচ্ছিলাম। এসময় প্রতিপক্ষ মেহেদি হাসান মিন্টু ও শরিফুল ইসলামের লোকজন আমাদের বাধা দেন। এ নিয়ে দলের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এসময় রেজাউল ইসলাম, তাঞ্জিল, সজলসহ আরো কয়েকজন হামলা চালিয়ে আমাকে ( শাহাজাহান) ও নওদা গ্রামের কুদ্দুস আলী দফাদারের ছেলে আমিরুল ইসলামকে (৩৫) লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। মনজুরুল এলাহি মনি জানান, আমরা গাইদগাছি কেন্দ্রে ভোটারদের নম্বর লিখে স্লিপ দিচ্ছিলাম। বেলা ১১ টার দিকে নৌকা প্রতীকের সমর্থক ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত  আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা প্রথমে আমার পিতা আব্দুল আজিজকে মারপিট করে। পরে আমাদের দুই ভাইকে পিটিয়ে জখম করে। এসময় ত্রাস সৃষ্টির জন্য দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। আতিয়ার রহমান জানান, আমি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট ছিলাম। সকালে কেন্দ্রে ঢোকার আগেই নৌকা প্রতীকের সমর্থক ইউপি সদস্য ইকবালের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে আমাকে ইটের আঘাত ও লাঠিপেটায় জখম করা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. আব্দুর রশিদ জানান, আহত সকলেই আশঙ্কামুক্ত।