মণিরামপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণের দায়ে যুবকের ১৪ বছর কারাদণ্ড

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর মণিরামপুরের বাহাদুরপুরের স্কুলছাত্রীকে অপহরণের দায়ে সোহাগ আলী নামে এক যুবককে ১৪ বছরেরর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে একটি আদালত। বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মাহমুদা খাতুন এক রায়ে এ সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত সোহাগ আলী মাছনা গ্রামের খালিলুর রহমানের ছেলে। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচানা করেছেন বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, স্কুলে আসা যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে প্রায় উত্ত্যক্ত করত আসামি সোহাগ। সোহাগের প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করে আসছিল। ২০১৫ সালের ৫ জুলাই আসামি সোহাগ ওই ছাত্রীকে মাছনা মাদরাসার পাশ থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বিজয়রামপুর গ্রামে আসামি সোহাগের এক আত্মীয় বাড়ি থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে ২ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল আদালতে অপহরণ ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।

এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি সোহাগের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাজা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি সোহাগকে খালাস দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত সোহাগ আলী কারাগারে আছে।