ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ছয় মাস পরেও ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে যশোরের ৩৭৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মিরাজুল কবীর টিটো : ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত যশোরের ৩৭৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার হয়নি। সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা না পাওয়ায় সংস্কার হয়নি বলে জানান শিক্ষকরা।

গত ২১ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে লণ্ডভণ্ড হয় যশোর। সরকারি হিসেবে ৩৭৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষয়ক্ষতির আনুমানিক পরিমাণ ৫ কোটি ২১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা । এর মধ্যে ১৭৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষতি হয়েছে তিন কোটি ১৫ লাখ  ৭৫ হাজার টাকা। ঝড়ের পরপরই জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা করে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ছয় মাস পার হলেও আর্থিক সহায়তা পায়নি আম্পান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়। এদিকে যশোর জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর থেকে খুলনার সুপারেনটেন্ট প্রকৌশলীর কার্যালয়ে ১৭৬টি বিদ্যালয়ের তালিকা পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদন হয়ে আসলে ঠিকাদারের মাধ্যমে বিদ্যালয় সংস্কার কাজ শুরু হবে বলে জানান উপসহকারি প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম।

এর মধ্যে সদরের ২৩ বিদ্যালয়ে ক্ষতির পরিমাণ ৪৭ লাখ ৮৫ হাজার, অভয়নগরে ১১ বিদ্যালয়ে ক্ষতি ১৫ লাখ, বাঘারপাড়ায় ৫টি বিদ্যালয়ে ক্ষতি ২ লাখ ৯০ হাজার, মণিরামপুরে ২০টি বিদ্যালয়ে ক্ষতি ৮৫ লাখ টাকা, ঝিকরগাছায় ২৫টি বিদ্যালয়ে ক্ষতি ৪৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা, শার্শায় ১২ টি বিদ্যালয়ে ক্ষতি ১৩ লাখ টাকা, চৌগাছায় ২০টি বিদ্যালয়ে ক্ষতি ২৫ লাখ টাকাও কেশবপুরে ৬০টি বিদ্যালয়ের ৮০ লাখ টাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে যশোরের অতিরিক্ত (শিক্ষা ও আইসিটি) শাম্মী ইসলাম বলেছেন. শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আম্পান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়ের সংস্কারের টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।