যশোরে মাটি শ্রমিক জনি হত্যা মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সদরের নরেন্দ্রপুর গ্রামের মাটি শ্রমিক জনি হোসেন হত্যা মামলায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় এজাহারভুক্ত ৪ জনের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল মালেক।

অভিযুক্তরা হলো, যশোর সদরের চাউলিয়া গ্রামের মৃত মনোয়ার ওরফে মনুর ছেলে শাহিন আলম, হাসেম মোয়াজ্জেমের ছেলে মর্তুজা, আব্দুর শুকুরের ছেলে বাছির, সাবেক মেম্বর আবু খায়েরের নাতি তৌফিক, খোকন মিয়ার ছেলে রেজোয়ান, নরেন্দ্রপুর পোস্টঅফিস পাড়ার নওশের আলী গাজীর ছেলে সবুজ হাসান, দবির হোসেনের ছেলে সুমন হোসেন,  জালালের ছেলে সাগর হোসেন, ঘোড়াগাছা সাহাপাড়ার সঞ্জয় পালের ছেলে সুজন কুমার পাল, কচুয়া ঘাটকান্দা গ্রামের রবিউলের ছেলে নয়ন, চাউলিয়া গ্রামের তোফাজ্জেলের ছেলে মুন্না, শফিয়ার রহমানের ছেলে হাসান কবীর ওরফে অনিক, ঘোড়াগাছা গ্রামের গৌর সাহার ছেলে মিলন, সাধন দাসের ছেলে পান্ত, দুলাল সাহার ছেলে সোহাগ, মুনসেফপুর খানপাড়ার তারেক খানের ছেলে সাব্বির হোসেন ওরফে নিশান খান, কচুয়া মোল্লাপাড়ার দাউদ মোল্লার ছেলে আরিফ,  চাউলিয়া গ্রামের হাসেমের ছেলে আনাম, আজগরের ছেলে তুহিন হোসেন, নরেন্দ্রপুর মোল্লাপাড়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে রাসেল, গোপালপুর দফাদরপাড়ার ওয়াজেদ আলীর ছেলে আল আমিন হোসাইন

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি শাহিন ও মুর্তুজা বিভিন্ন ইট ভাটায় মাটি সরবরাহ করত। মাটির ব্যবসা নিয়ে মুর্তুজার সাথে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়। ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর জনিকে তার মামা বাড়িতে থেকে আসামি সুমন ও সাগর মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যায়। এরপর জনিকে নিয়ে মোল্লাপাড়া হারুন অর রশিদের চায়ের দোকানের সামনে নিয়ে চা খেতে থাকে। এ সময় পূর্বপরিকল্পিত ভাবে অন্য আসামিরা এসে জনিকে মারপিট শুরু করে। একপর্যায়ে আসামিরা জনিকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করে। চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সকলে পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম জনি ঘটনাস্থলে মারা যায়।

এ ব্যাপারে নিহত জনির পিতা মণিরামপুরের তারুয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থকায় ওই ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।