সচিবালয়ে চাকরি দেয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সচিবালয়ের এমএলএএস পদে চাকরি দেয়ার নামে ভুয়া নিয়োগপত্র ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক নারীরসহ চারজনকে আসামি করে যশোর আদালতে একটি মামলা হয়েছে। রোববার যশোর শহরের পুরাতন কাজীপাড়া কাঁঠালতলা এলাকার মো. শামছুর রহমানের ছেলে মো. শাহীন বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেছেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুদ্দীন হোসাইন অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইকে। আসামিরা হলো, গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ার ফুলবাড়ি গ্রামের বাবলু হাওলাদার ও তার স্ত্রী শম্পা হাওলাদার, কাকডাঙ্গা গ্রামের সাজেন সিকদারের ছেলে হাফিজুর সিকদার, টুঙ্গিপাড়ার চিতলিয়া গ্রামের জয়নাল তালুকদারের ছেলে জনি তালুকদার।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার মৃত আমজাদ হোসেন সিকদারের ছেলে মামুন সিকদার তার ভাগ্নি জামাই। ওই মামলার প্রধান আসামি শম্পা হাওলাদার ঝিনাইদাহের মহেশপুরের ইসলামপুর গ্রামের রজব আলীর ছেলে নেবিল আহমেদ ও চৌগাছার বকশীপুর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে সাবলুর রহমানকে সচিবালয়ে এমএলএসএস পদে চাকরি পাইয়ে দেয়ার কথা বলে। এজন্য মামুন সিকদারের কাছ থেকে শম্পাসহ অন্যরা ২০১৯ সালের ১ জুন বাদী শাহীনের বাড়িতে এসে ৯ লাখ টাকা গ্রহণ করে। ৩ মাসের ভেতর তাদের চাকরি দিয়ে বাকি ৩ লাখ টাকা নেবে বলে শম্পা তাকে জানিয়েছিল। এরমধ্যে আসামিরা জালজালিয়াতি করে ভুয়া নিয়োগ পত্র ও আইডি কার্ড দেয় তাদের। সংশ্লিষ্ট দফতরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, ওই নিয়োগপত্র ও আইডি কার্ড ভুয়া। ফলে আসামিদের বিষয়টি জানিয়ে ৯ লাখ টাকা ফেরত চাওয়া হয়। তারা টাকা না দিয়ে ঘোরাতে থাকেন। সর্বশেষ গত ১৩ নভেম্বর বিকেলে আসামিদের বাড়িতে গিয়ে বাদী টাকা ফেরত চাইলে টাকা দিতে অস্বীকার করে। এ সময় আসামিরা তাদেরকে হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়। টাকা আদায়ে ব্যর্থ  ও জালজালিয়াতির অভিযোগে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।