কপিলমুনির প্রতিবন্ধী কুমার বিশ্বাস বাঁচতে চায়

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি : কপিলমুনির প্রতিবন্ধী কুমার বিশ্বাস বাঁচতে চায়। জীবন সংগ্রামে পরাজিত না হলেও আজ সে দূরারোগ্য ব্যধির কারণে পরাজিত অসহায় কুমার বিশ্বাস। সারাটা জীবন দারিদ্রতার নির্মমতা তাকে দুর্বল করতে না পারলেও পায়ের গ্যাংগ্রিন তাকে দুর্বল করে ফেলেছে।

জানা যায়, খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার ১নম্বর হরিঢালী ইউনিয়নের নগরশ্রীরামপুর গ্রামে কপোতাক্ষ পাড়ের মৃত সাধন বিশ্বাসের ছেলে ৫৪ বছর বয়সী কুমার বিশ্বাসের অত্যন্ত দরিদ্র জেলে পরিবারে জন্ম। দারিদ্রতার কষাঘাত তাকে স্কুলের সীমানায় যেতে দেয়নি, জালদড়ি ঘাড়ে করে ছোট বেলা থেকেই নিয়ে গেছে নদী বাওড় বা খালে। সারাটা জীবন সে মৎস্যজীবী হয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছে। কিন্তু বিধি তার বাম। ১০ বছর আগে হঠাৎ প্যারালাইসিস আক্রান্ত হয় কুমার বিশ্বাস। এর কয়েক বছর পর তার পায়ের তলায় একটি ফুঁসকুড়ি হয়। তারপর একটু একটু করে তার পায়ের তলায় ঘাঁ জমতে থাকে। বর্তমানে তার পায়ের ক্ষত স্থানে গর্ত হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক ডাক্তারের চিকিৎসা বিফলে গেছে, কিন্তু কুমার তার সেই সুস্থ জীবন ফিরে পায়নি। তাকে লাঠির উপর ভর করে চলতে হয়, এ যেন তার কষ্ঠের জীবনে আর এক যুদ্ধ।

৩ ছেলে, ১ স্ত্রীসহ ৫ সদস্যের সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি কুমার আজ বড়ই অসহায়, খেয়ে না খেয়ে অর্ধাহারে অনাহারে জীবন চলে তার। একটু উন্নত চিকিৎসা হয়তো বা এই প্রতিবন্ধী কুমারের (প্রতিবন্ধী আইডি নং -১৯৬৪৪৭১৬৪৪৪২২০৮১০-০২) জীবনে হয়ে আসতে পারে সুস্থতার নতুন অধ্যায়। কিন্তু চিকিৎসার জন্য দরকার অনেক টাকা, যা তার পরিবারে বড়ই অভাব। মাত্র ৩ শতক জমির উপর কোনো রকমে মাথা গুজে জীবন কাটানো কুমার চোখের সামনে দেখে শুধু ঘোর অন্ধকার। সে প্রধানমন্ত্রী ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চায়।

প্রতিবন্ধী কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘সুন্দর এ পৃথিবীতে বুক ফুলিয়ে নিঃস্বাস নিতে চাই, আমি বাঁচতে চাই, সুস্থ হয়েই বাঁচতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহায্যের জন্য লিখিত আবেদন জানিয়েছি। সরকার ও সমাজের বিত্তবানরাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আমাকে বাঁচাতে পারে। আমাকে সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নম্বর-০১৯০৫ ৪৫৩০৬৬।’